ঢাকা, বাংলাদেশ | মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

শিরোনামঃ

   গত দুই সপ্তাহে গাজায় ৯ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত    খাগড়াছড়ি সদর দীঘিনালা ওপানছড়িতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ চলছে    আজ অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং ঢাকায় আসেন    রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হাত নেই: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী    নরসিংদীতে যাত্রীর ছুরিকাঘাতে ইজিবাইক চালক খুন, যাত্রী আটক    ‘৪৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা, রেড অ্যালার্ট’ জারি ভারতের দিল্লিতে    রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েও পায়নি ইরান    পুত্র সন্তানের মা হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম    এভারেস্টের পর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে লোৎসে জয় করলেন বাবর    আন্তর্জাতিক চা দিবস আজ    কাকে বিয়ে করছেন দক্ষিণী অভিনেত্রী আনুশকা?    চুয়াডাঙ্গা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল উ‌দ্বোধন হ‌লেও মে‌লে‌নি অনুম‌তি    নাগরিকত্ব ফিরে পেয়ে প্রথমবার ভোট দিলেন অক্ষয়    দুই বোনকে হাতুড়িপেটা করা সেই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার    ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

আজকে আমি আপনাদের জন্য একটা বিশেষ আর্টিকেল নিয়ে হাজির হয়েছি। যেখানে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব আলহামদুলিল্লাহ কখন বলতে হয়, অর্থ কি এছাড়াও আলোচনা করব এর প্রতি উত্তরে কি বলতে হয় এবং এর ফজিলত ও গুরুত্ব কি এ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।
সুতরাং এক কথায় আজকের এই আর্টিকেলটি অনেক বিশেষ হতে চলেছে।আমরা মুসলিম হিসেবে অধিকাংশ সময় আলহামদুলিল্লাহ বলে থাকি। এই শব্দ সম্পর্কে আমরা খুবই পরিচিত। অথচ এর অর্থ কি এবং কোথায় ব্যবহার করা হয় ও কেন ব্যবহার করা এ সম্পর্কে আমরা কিছুই জানিনা।

আলহামদুলিল্লাহ কখন বলতে হয় ?
বর্তমানে আমারা অধিকাংশ মানুষই জানি না এটা বলার সময় কখন ? আমরা অনেকেই এর পরিবর্তে সুবহানাল্লাহ , জাযাকাল্লাহ ইত্যাদি বলে থাকি। অনেক সময় “ইনশাআল্লাহ” বলার যায়গায় “আলহামদুলিল্লাহ” বলে ফেলি। আবার কখনো বা সুবহানাল্লাহ এর জায়গায় এই শব্দটি বলে ফেলি। আসলে আমরা শব্দগুলোর অর্থ না জানার কারণে বিপাকে পড়ি। ফলে নানান ক্ষেত্রে হাসির পাত্র হয়ে যাই। এখানে আপনাদের সুবিধার্থে কয়েকটি ক্ষেত্রে এই শব্দটি বলতে হয় তা তুলে ধরা হলঃ

আল্লাহ তায়ালা আমাদের শরীরকে সুস্থ রেখেছেন এই জন্য আলহামদুলিল্লাহ বলা।
কোন আনন্দ বা খুশির সংবাদ শুনলে তখন এটা বলা।
কোন কাজ ভালোভাবে সম্পূর্ণ করার পর আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া হিসেবে বলা।
কেউ যদি আপনাকে জিজ্ঞাসা করে আপনি ভালো আছেন কিনা ? তখন এই শব্দটি বলে ভালো আছি বলে উত্তর দেওয়া।
কোন ব্যক্তির সুস্থতার খবর শুনলে তখন এটা বলে শুকরিয়া আদায় করা।
যখন আপনি হাচি দিবেন তখন এটা বলবেন।
আল্লাহ তাআলা আপনাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন এজন্য শুকরিয়া হিসেবে এটা বলা।
আল্লাহতালা আপনার হাত , পা , চোখ ইত্যাদি সমস্ত অঙ্গকে সুস্থ রেখেছেন এজন্য শুকরিয়া হিসেবে এটা বলা।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে যে নানা রকম নেয়ামত দিয়েছেন এর শুকরিয়া হিসেবে এটা বলা।
আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টির জন্য প্রশংসা হিসেবে এটা বলা।
চলতে – ফিরতে , উঠতে – বসতে এবং খাওয়া-দাওয়ার পর বেশি বেশি বলা।
কোন বক্তব্য দেওয়ার শুরুতে বলতে হয়।
মোট কথা সুখ হোক অথবা দুঃখ হোক সর্ব অবস্থায় আলহামদুলিল্লাহ বলা। যেখানে আলহামদুলিল্লাহ এর মূল অর্থ হচ্ছে আল্লাহতালার শুকরিয়া আদায় করা। এটা তখন বলতে হবে যখনই আপনি কোন বিপদ থেকে মুক্তি পাবেন, কোন ভালো কাজে সফল হবেন, ইত্যাদিতে আপনি আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া আদায় করবেন এই শব্দটি বলার মাধ্যম। উপরোক্ত আলোচনা থেকে আজকে জানতে পারলাম আলহামদুলিল্লাহ কখন বলতে হয়।

আলহামদুলিল্লাহ এর প্রতি উত্তরে কি বলতে হয় ?
স্বাভাবিকভাবে শুকরিয়া হিসাবে কেউ এই শব্দটি বললে এর প্রতি উত্তরে কিছুই বলতে হয় না। তবে কেউ যদি হাঁচি দেয়ার সময় আলহামদুলিল্লাহ বলে তাহলে তার উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলতে হয়। এই শব্দটি এর উত্তর
হাচির সময় আলহামদুলিল্লাহ এর উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ কেন বলা হয় ?
হাচি দেয়ার কারণে শরীর থেকে নানা রকম ক্ষতিকারক জীবাণু বের হয়ে যায়। এর ফলে শুকরিয়া হিসেবে আলহামদুলিল্লাহ বলা হয়। যখন কেউ শুকরিয়া হিসেবে এই শব্দটি বলল তখন আপনি তার জন্য ইয়ারহামুকাল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ আপনার উপর রহম করুন এ কথা বলে দোয়া করে দিলেন। আশা করি আপনি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।
আলহামদুলিল্লাহ: এই শব্দটি আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা এবং শুকরিয়ার অর্থ বহন করে। এবং এটা সর্বোত্তম দোয়া। হাদিসে এসেছে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ সর্বোত্তম ফজিলতপূর্ণ বাক্য এবং সর্বোত্তম দোয়া হলো এই শব্দটি। আলহামদুলিল্লাহ কখন বলতে হয় তা আজকে ভালোভাবে জানবো। আলহামদুলিল্লাহ অর্থ কি ? এটা হলো আরবি শব্দ। এই শব্দটি দুইটি অংশ নিয়ে তৈরি হয়েছে।

আলহামদু (الحمد) হলো প্রথম অংশ । এর অর্থ : সমস্ত প্রশংসা ।
লিল্লাহ ( للله) হলো দ্বিতীয় অংশ। এর অর্থ : আল্লাহ তাআলার জন্য।
এই দুই অংশ মিলে তৈরি হয় আলহামদুলিল্লাহ (الحمد لله ) আর এর অর্থ হল : সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার জন্য।

আলহামদুলিল্লাহ এর গুরুত্ব কি ?
আলহামদুলিল্লাহ কখন বলতে হয় , এই শব্দটি বলার গুরুত্ব অনেক রয়েছে ।

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে অনেক নেয়ামত দান করেছেন। এই হিসেবে আমাদেরকে এই শব্দটি বলে শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে হবে। যা আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সূরা ফাতিহার প্রথম আয়াতের মাধ্যমে শিক্ষা দিয়েছেন।
এই শব্দটি দিয়ে শুকরিয়া আদায় করলে আল্লাহ তা আলা খুশি হন। আর আমরা সকলেই চাই আল্লাহ তায়ালা খুশি হোক।
কুরআনের অনেক সূরার আয়তে আল্লাহ তায়ালা নিজের প্রশংসা করেছেন। আমাদেরকে আল্লাহ তায়ালা এই শব্দটি দিয়ে প্রশংসা করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আল্লাহ তাআলার প্রশংসা করার জন্য এই শব্দটি থেকে কোন উত্তম বাক্য নেই।
আলহামদুলিল্লাহ এর ফজিলত সম্পর্কিত হাদিস
এছাড়াও বিভিন্ন হাদিস গ্রন্থে এই শব্দটি সম্পর্কে হাদিস বর্ণিত রয়েছে। এক হাদিসে বলা হয়েছে, আল্লাহ তায়ালা সব থেকে বেশি নিজের প্রশংসা পছন্দ করেন, এজন্য তিনি নিজের প্রশংসা করেছেন, এবং আমাদেরও (আলহামদুলিল্লাহ জাতীয় বাক্যে) তাঁর প্রশংসার নির্দেশ দিয়েছেন। ( বুখারি, ২/১৮১৭) এই শব্দটি আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা এবং শুকরিয়ার অর্থ বহন করে। এবং এটা সর্বোত্তম দোয়া। হাদিসে এসেছে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ সর্বোত্তম ফজিলতপূর্ণ বাক্য এবং সর্বোত্তম দোয়া হলো এই শব্দটি। ( তিরমিজি, ৩৩৮৩) নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন, এই শব্দটি মিজানকে পূর্ণ করে দেয়। আর সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ শব্দ দুটি আসমান ও জমিনের খালি জায়গা পূর্ণ করে দেয়। (মুসলিম. ২২৩)। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রিয় বাক্য চারটি, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা–ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার…(মুসলিম, ২১৩৭)

আল্লাহ তায়ালা যখন কোনো বান্দাকে নেয়ামত দান করেন এবং সে এতে আলহামদুলিল্লাহ বলে, তাহলে সেই বান্দা আল্লাহ তায়ালাকে যেই জিনিস দিলো (আলহামদুলিল্লাহ বলে আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায়) তা ওই জিনিস থেকে উত্তম যা সে নিয়েছে (আল্লাহর নেয়মত)।nহাদিসে আরো এসেছে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যদি আমার কোনো উম্মতকে পুরো দুনিয়া দিয়ে দেওয়া হয় আর সে আলহামদুলিল্লাহ বলে তাহলে এই শব্দ পুরো দুনিয়া থেকে উত্তম। অর্থাৎ, পুরো পৃথিবী পেয়ে যাওয়া এতো বড় নেয়ামত নয়, যা আলহামদুলিল্লাহ বলার মধ্যে রয়েছে। কারণ এই পৃথিবী তো একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে কিন্তু আলহামদুলিল্লাহর সওয়াব থেকে যাবে। (ইবনে মাজাহ)
হাদিসে নবীজি আরো বলেছেন, যখন তুমি আলহামদুলিল্লাহ বলে আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করবে তখন আল্লাহ তায়ালা নেয়ামতে বরকত দেবেন। এক হাদিসে কুদসিতে বলা হয়েছে, বান্দা যখন নামাজে ‘আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন’ বলে তখন আল্লাহ তায়ালা বলেন, আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে।আসওয়াদ বিন সারিয়া রা. বলেন, বলেন, একবার আমি নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললাম, আমি আল্লাহ তায়ালার শানে কিছু প্রশংসা বাক্য বলতে চাই যদি আপনার অনুমতি থাকে, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আল্লাহ তায়ালা নিজের প্রশংসা অনেক পছন্দ করেন। ( মুসনাদে আহমাদ, নাসাঈ) সামুরা বিন জুনদুব রা. বলেন, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রিয় বাক্য চারটি, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার…(মুসলিম, ২১৩৭)

আলহামদুলিল্লাহ বলার ফজিলত কি ?
এই শব্দটি বলার ফজিলত অনেক বেশি। আলহামদুলিল্লাহ মিজানের পাল্লা ভারী করে দেয়। যেমন হাদিসে এসেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন। কয়েকটি ফজিলত তুলে ধরা হলো।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন সর্বোত্তম দোয়া হলো এই শব্দটি। ( তিরমিযী শরীফ : ৩৩৮৩ )
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন আল্লাহ তার কাছে চারটি বাক্য প্রিয় । সেগুলো হলো : (১) সুবহানাল্লাহ (২) আলহামদুলিল্লাহ (৩) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (৪) আল্লাহু আকবার ( মুসলিম শরীফ : ২১৩৭ )
আলহামদুলিল্লাহ এটা মিজানের পাল্লাকে পূর্ণ করে দেয়।
পৃথিবী তো একদিন না একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ এর সাওয়াব থেকে যাবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার পাঠ করা যা কিছুর উপর সূর্য উদিত হয়েছে সবকিছুর থেকে আমার নিকট অধিক প্রিয়।”(মুসলিম-২৬৯৫)
আলহামদুলিল্লাহ সূরাঃ মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআন শরীফে ১১৪ সূরায় মধ্যে একটি এবং গুরুত্বপূর্ণ সূরা দিয়েছেন যা প্রত্যেক রাকাত নামাজ এ পাঠ করতে হয়। এটা কুরআন এ বর্ণিত ১ম সূরা বা সূরা ফাতিহা বা এই শব্দটি সূরা নামে পরিচিত।

পরিশেষে বলবো :
আজকের এই আরর্টিকেলের জানতে পারলাম আলহামদুলিল্লাহ কখন বলতে হয়, এই শব্দটির অর্থ কি ও এটি কখন বলতে হয় এবং এর ফজিলত ও গুরুত্ব এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আরর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ে থাকলে এই শব্দটি কখন বলতে হবে এবং আলহামদুলিল্লাহ শব্দের উত্তরে কী বলতে হবে এবং এর ফজিলত ও গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আশা করি আপনি এ ব্যাপারে পরিপূর্ণ ধারণা পেয়েছেন এবং অনেক উপকৃত হয়েছে। অতএব আপনি আপনার বন্ধুবান্ধবদের সাথে শেয়ার করবেন। আর পাঠক যদি আমাদের এই ইসলামিক লেখা গুলো আপনাদের ভালো লাগে তাহলে কিন্তু কমেন্ট করতে ভুলবেন না। নিচে আমাদের কমেন্ট বক্স দেওয়া আছে দয়া করে কমেন্ট করে আপনাদের ভালো লাগা গুলা জানাবেন। পাঠক আপনাদের এই ভালোলাগাই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রধান উৎস।

 

এনএএন টিভি


প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও
কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।