ঢাকা, বাংলাদেশ | শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

শিরোনামঃ

   শিশু ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার বৃদ্ধ    বাড্ডায় রিকশার গ্যারেজে আগুন    প্রধানমন্ত্রী বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন দেশবাসীকে    সদরঘাটে ৫ প্রাণহানি: গ্রেফতার ৫ জন তিন দিনের রিমান্ডে    সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল রাবি শিক্ষার্থীর    সৌদি সুপার কাপের শিরোপা ঘরে তুললো আল-হিলাল    ঈদের দিন মোটরসাইকেল নি‌য়ে ঘুর‌তে বে‌রি‌য়ে প্রাণ‌ গেল কি‌শোরের    ঘোড়া কি শুধু দাঁড়িয়েই ঘুমায়? জেনে নিন আসল সত্য    ক্রেতাশূন্য বাজারেও নিত্যপণ্যের চড়া দাম    ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে নিহত ৯    নদীতে ফুল ভাসিয়ে পাহাড়ে ’বৈসাবি’ উৎসব শুরু    আইনি বিপাকে অজয়ের ‘ময়দান’, ছবির বিরুদ্ধে গল্প চুরির অভিযোগ    ঈদের দিন শাহরুখের বাড়ির সামনে জড়ো হন ভক্তরা    ঈদে ১৭২ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ৩    আরও তাপমাত্রা বাড়ার পূর্বাভাস

 “ এই সেই নদী যাকে বলা হতো বাইবেলের স্বর্গেন উদ্যান ইডেনের জলদাতা এবং যার কোলেই জন্ম নিয়েছে মনুষ্য সভ্যতা ”

মানুষের নেতিবাচক কাজ আর জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে একসময়কার সেই প্রমত্তা দজলা এখন জীবন সায়াহ্নে, প্রতিদিনই কমছে জল।

ফোরাত আর দজলার তীরেই হাজার বছর আগে হয়েছিল মেসোপটেমিয়া সভ্যতার সূত্রপাত।
তেলসমৃদ্ধ দেশ ইরাক কিন্তু খরা আর মরুকরণে দেশটি পদে পদে দারিদ্র্যের কষাঘাত। একের পর এক আসছে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ও। জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত শীর্ষ পাঁচ দেশের তালিকাতেও ইরাক আছে।

এপ্রিল থেকেই ইরাকের তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি ছাড়াতে থাকে এবং কমলা রঙের আকাশ ধেয়ে আসে তীব্র বালুঝড় নিয়ে। তখন পুরো দেশ ধুলোয় ভরে যায়। ভর গ্রীষ্মে সেই তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি পর্যন্ত যায়।

ইরাকের মসুল, বাগদাদ ও বসরা শহরের সাথে দজলা নদীর সম্পর্ক গভীর। তবে তুরস্কের উজানে বাঁধের কারণে টাইগ্রিস বা দজলার এখন দম বন্ধ হওয়ার দশা।

ফরাসি সংবাদ সংস্থার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে দজলার করুণ চিত্র।

প্রতিনিয়ত কমছে পানি।

দজলার যাত্রা শুরু সিরিয়া ও তুরস্কের সীমান্তবর্তী অঞ্চল ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত এলাকা কুর্দিস্তান দিয়ে। যেখানে মানুষ ভেড়া পালে ও আলু ফলায়।

ফায়াশ খাবুর এলাকার বাসিন্দা পিবো হাসান দোলমাসা বলেন, ‘আমাদের জীবন দজলা নির্ভর।’ ‘আমাদের সব কাজ, কৃষি এর ওপর নির্ভরশীল।’

তিনি জানালেন গেল তিন বছর ধরে এই নদীর জল কেবল কমছে। আর এই পানি কমার জন্য তুরস্ককে দায়ী করছে ইরাক সরকার ও কুর্দিস্তানের কৃষকরা। যেখানে দজলায় বাঁধ দিয়ে নাটকীয়ভাবে ইরাকে পানি প্রবাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ইরাক সরকারের হিসেব মতে, গেল শতকে দজলার পানি প্রবাহ ৩৫ শতাংশ কমেছে। বাগদাদ নিয়মিতভাবেই তুরস্কের কাছে আরও পানি চায়। তবে তুরস্ক সে কথায় কান না দিয়ে যে পানি পাওয়া যায় তার কার্যকরী ব্যবহার নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছে।

দজলার এই শুকিয়ে যাওয়ায় বাগদাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইরাকি শহরগুলোতেও দেখা দিয়েছে বিপর্যয়। কৃষি কাজ যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমন বাড়ছে বালুঝড়ের মতো নানা বিপর্যয়, শুকিয়ে যাচ্ছে গাছপালা।

 


প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও
কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।