ঢাকা, বাংলাদেশ | বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

শিরোনামঃ

   চট্টগ্রামে কোটা সংস্কার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত দুই তরুণ    কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর খবর    আন্দোলনকারীদের পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে জামায়াত    নরসিংদীতে কোটা আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে স্কুলশিক্ষার্থী নিহত    নাটোরে মিছিলের প্রস্তুতির সময় ১৮ স্কুলছাত্রকে পুলিশে দিলেন প্রধান শিক্ষক    জুলাইয়ের ২১, ২৩ ও ২৫ তারিখের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত    ছাত্রলীগ-কোটা আন্দোলনকারিদের সংঘর্ষ, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ    কোটা আন্দোলনে রেসিডেনসিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী ফারহান নিহত    শ্রীমঙ্গলে চাঞ্চল্যকর আইনজীবী হত্যাকাণ্ডে জড়িত ২জন গ্রেপ্তার    চট্টগ্রাম রেগুলেশন বাতিলের ষড়যন্ত্র বন্ধের দাবিতে মিছিল    চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ; ছাত্রলীগের হামলা    আজ বন্ধ থাক‌বে ভারতীয় ভিসা সেন্টার    উত্তরায় গুলিতে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থী নিহত    টাঙ্গাইলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া    মিরপুর ১০ নম্বরে সংঘর্ষ চলাকালীন পুলিশ বক্সে আগুন

পুলিশের অনুমতি না পেলেও পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শনিবার রাজধানীর শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ করার ব্যাপারে অনড় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

ইতোমধ্যে সারা দেশ থেকে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ঢাকায় এসেছেন। যে যেভাবে পেরেছেন, নানা ছদ্মবেশে ঢাকায় পৌঁছেছেন।

অনুমতি না পাওয়ার পরেও জামায়াতের মহাসমাবেশ করতে চাওয়ায় নাশকতার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

শনিবার সকালে শাপলা চত্বরে ঢোকার সবদিকের সড়ক পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

এ সময় জামায়াতের নেতা-কর্মীরা মিছিল শোডাউন করে। আরামবাগে পুলিশ ব্যারিকেড দিলে তা সরিয়ে শাপলা চত্বরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা।

তবে ফের ব্যারিকেড দেয় পুলিশ। ফলে সেখানেই স্লোগান ও মিছিল করছে জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

বিএনপি রাজধানীর নয়াপল্টনে, আওয়ামী লীগ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটকে এবং জামায়াতে ইসলামী শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশের কর্মসূচি দেয়।

গতকাল রাতে ডিএমপি আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে নিজ নিজ জায়গায় সমাবেশ করার অনুমতি দেয়। কিন্তু জামায়াতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলেনি।

এক বিবৃতিতে জামায়াত জানিয়েছে,

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা, দলের আমিরসহ নেতাকর্মী এবং আলেমদের মুক্তি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে এই মহাসমাবেশ কর্মসূচি দেওয়া হয়।

যদিও ২৮ অক্টোবর জামায়াতের মহাসমাবেশ ডাকার আরেকটি উপলক্ষ্য আছে।

সেটি হলো,

২০০৬ সালে চারদলীয় জোট সরকারের মেয়াদ শেষে ২৮ অক্টোবর ঢাকায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোটের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা।

জামায়াতের দাবি, সেদিন ‘লগি-বইঠার’ হামলায় তাদের ১৪ জন নেতাকর্মী নিহত হন

এবং সহস্রাধিক নেতাকর্মী আহত হন। নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে জামায়াত প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর স্মরণসভা করে। এবার দলটি ওই দিনে মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে।

আরও পড়ুন :

এনএএন টিভি


2 Replies to “পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে শাপলা চত্বরে প্রবেশের চেষ্টা জামায়াতের”

Comments are closed.

প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও
কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।