ঢাকা, বাংলাদেশ | বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

শিরোনামঃ

   চুয়াডাঙ্গায় ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান ও জরিমানা    শপথ নিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিরা    আন্তঃজেলা ছিনতাই চক্রের ৪ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার    বাঙ্গালীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরন    চাঁপাইনবাবগঞ্জ এ ৫টি চোরাই বৈদ্যুতিক মিটারসহ গ্রেপ্তার-১    সাতক্ষীরায় ফাগুন সমীরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত    রংপুরে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা, ১টি প্রতিষ্ঠানকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা    চুয়াডাঙ্গায় আগুনে পু‌ড়ে ১৪টি ছাগলের মৃত্যু    বিরল ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশু আরাবীর বাঁচর আকু‌তি; সক‌লের কা‌ছে সাহায্যর আবেদন    মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে ফ্যাশন ও উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে পণ্য তৈরিতে জোর হুয়াওয়ের    রমজানে অফিস চলবে ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা পযর্ন্ত    দুর্ভিক্ষের কবলে পড়তে যাচ্ছে গাজার এক তৃতীয়াংশ মানুষ –জাতিসংঘ    আফ্রিকার দেশ মালিতে সেতু থেকে বাস নদীতে, নিহত ৩১    বান্দরবানে ধর্ষণের ঘটনায় পিতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড    “মফস্বল সাংবাদিকতায় শেলু’র অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে”

দেশে বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে যেসব শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন, তাদের ৮৭ শতাংশ ডেন-২ জিনগত ধরনে আক্রান্ত। এছাড়া বাকি ১৩ শতাংশ শিশু ডেন-৩ ধরনে আক্রান্ত হচ্ছে।

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁও শিশু হাসপাতাল অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে এ গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরেন হাসপাতালটির পরিচালক ও গবেষণার প্রধান গবেষক অধ্যাপক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

তথ্য থেকে জানা যায়,

২০২৩ সালের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে ডেঙ্গু আক্রান্ত এক হাজার ৩৯ ভর্তি শিশু রোগীর মধ্য থেকে ৭২২ শিশু রোগীকে রোগতাত্ত্বিক গবেষণার জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

ডেঙ্গু ভাইরাসের সেরোটাইপ নির্ধারণে এবং অন্যান্য ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্তকরণে ওই ৭২২ শিশু রোগী থেকে ১০৪ রোগীর রক্ত ও ন্যাজোফ্রানজিয়াল সোয়াব সংগ্রহ করে আইসিডিডিআরবির পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হয়।

একইসঙ্গে ডেঙ্গু ভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ ছিল কিন্তু এনএস-১ অথবা

আইজিএম পরীক্ষায় ডেঙ্গু ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্তকরণ সম্ভব হয়নি এমন ৫০ ভর্তি

রোগীর রক্ত ও ন্যাজোফ্রানজিয়াল সোয়াবও সংগ্রহ করে আইসিডিডিআরবির পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে,

এনএস-১ এবং আইজিএম নেগেটিভ ৫০টি নমুনার মধ্যে আরটি পিসিআর পরীক্ষার মাধ্যমে ১৭টি (৩৪ শতাংশ) ফলস নেগেটিভ পাওয়া যায়

ও ডেঙ্গু নেগেটিভ রোগীর মধ্যে ১৯ শতাংশ রোগী এবং ডেঙ্গু পজেটিভ রোগীর মধ্যে ১২ শতাংশ রোগী

অন্যান্য ভাইরাসের সংক্রমণে (ইনফ্লুয়েঞ্জা ও রেসপাইরেটরি সিনসাইটাল ভাইরাস) আক্রান্ত ছিল।

জিনোম সিকোয়েন্স পরীক্ষায় দেখা যায়,

১১৩টি ডেঙ্গু পজেটিভ নমুনায় ৮৭ শতাংশ ডেন-২ এবং ১৩ শতাংশের ডেন-৩ ধরনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যে শিশুদের ভেতর ৮৭ শতাংশ ডেন-২ ধরনের উপস্থিতি দেখা গেছে,

তার জিনগত বৈশিষ্ট্য ২০১৮ সালের ডেন-২ এর জিনগত বৈশিষ্ট্যের কাছাকাছি। এমনকি যে ১৩ শতাংশের ডেন-৩ ধরনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে,

তার জিনগত বৈশিষ্ট্য ২০১৭ সালের ডেন-৩ এর জিনগত বৈশিষ্ট্যের কাছাকাছি।

অনুষ্ঠানে গবেষণার প্রধান গবেষক অধ্যাপক ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান,

গবেষণার অংশ হিসেবে পূর্ণাঙ্গ সিকোয়েন্সিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে,

যার ফলাফল হাতে পেলে আরও বেশি তথ্য আমরা উপস্থাপন করতে সক্ষম হব।

এনএএন টিভি


One Reply to “শিশু ডেঙ্গু রোগীর ৮৭ শতাংশই ডেন-২ ধরনে আক্রান্ত”

Comments are closed.

প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও
কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।