ঢাকা, বাংলাদেশ | মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ

শিরোনামঃ

   রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হাত নেই: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী    নরসিংদীতে যাত্রীর ছুরিকাঘাতে ইজিবাইক চালক খুন, যাত্রী আটক    ‘৪৭ ডিগ্রি তাপমাত্রা, রেড অ্যালার্ট’ জারি ভারতের দিল্লিতে    রাইসির হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েও পায়নি ইরান    পুত্র সন্তানের মা হয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম    এভারেস্টের পর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে লোৎসে জয় করলেন বাবর    আন্তর্জাতিক চা দিবস আজ    কাকে বিয়ে করছেন দক্ষিণী অভিনেত্রী আনুশকা?    চুয়াডাঙ্গা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল উ‌দ্বোধন হ‌লেও মে‌লে‌নি অনুম‌তি    নাগরিকত্ব ফিরে পেয়ে প্রথমবার ভোট দিলেন অক্ষয়    দুই বোনকে হাতুড়িপেটা করা সেই ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার    ইরানের প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক    মুগদায় গলায় ফাঁসি দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা    স্নাতকের চূড়ান্ত ফলে তৃতীয় হয়েছেন সেই অবন্তিকা    রাইসি নিহতের খবরে ফের অস্থির জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজার

এক নারী মনের প্রবল জোর ও নিঃস্বার্থ সেবায় ১০ বছর পর কোমা থেকে ফিরে পেলেন স্বামীকে। এ ঘটনা ঘটেছে চীনের আনহুই প্রদেশে। ২০১৪ সালে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে ওই ব্যক্তি কোমায় চলে যান। তবে তাঁর স্ত্রী সান হংশিয়ার বিশ্বাস ছিল, তাঁর জীবনসঙ্গী একদিন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবেন। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট–এর খবরে এ তথ্য জানানো হয়।

এই দম্পতির একটি আবেগঘন ভিডিও চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যায়, জেগে ওঠা স্বামীর পাশে বিছানায় বসে আছেন সান হংশিয়া। সান তাঁকে গত কয়েক বছর কীভাবে কেটেছে, সেই বর্ণনা দিচ্ছিলেন। এসব শুনে তাঁর চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ছে।

দাওয়ান নিউজকে সান বলেন, ‘যদিও আমি অনেক ক্লান্ত। তারপরও একটি পরিবারের সবাই যদি আবার এক হয়, সেটার অনুভূতি অন্য রকম।’

হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে স্বামী কোমায় চলে যাওয়ার পর তিনি কী দুরবস্থার মধ্য দিয়ে গেছেন, সেগুলোর স্মৃতিচারণা করেন। সান বলেন, দুই সন্তানের চিন্তাই তাঁকে শক্তি জুগিয়েছে, ভেঙে পড়তে দেয়নি। পাশাপাশি তিনি সন্তানদের জন্য সুন্দর একটি উদাহরণও তৈরি করতে চেয়েছিলেন।

সান বলেন, তাঁর কাছে অগ্রাধিকার ছিল স্বামী। অচেতন স্বামীর থাকাটা যেন আরামদায়ক হয়, সে জন্য তিনি সময় ও শক্তি দুটিই ব্যয় করেছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকার কারণে ওই ব্যক্তির (স্বামী) অনেক ধরনের শারীরিক সমস্যা হয়েছিল।

শ্বাসপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে তাঁর জন্য ট্র্যাকিওস্টমি প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয়েছে। পুরুষাঙ্গে ক্যাথেটার ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। তারপরও সান লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হননি।

সানের ৮৪ বছর বয়সী শ্বশুর বউমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘সে আমার বউমা, কিন্তু আমার মেয়ের চেয়ে বেশি। ওর সঙ্গে কারও তুলনা হয় না।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে তাঁর প্রতি ভালোবাসা জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘এটা সত্যিকারের ভালোবাসা।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘এই ব্যক্তি এক ফেরেশতাকে বিয়ে করেছেন।’

 

এনএএন টিভি


প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও
কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।