সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেছেন, পুলিশ যদি কারও সঙ্গে অপেশাদার আচরণ করে তাকে তাহলে তাকে কোন ছাড় দেয়া হবে না। তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা। এজন্য সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। সেই সঙ্গে সকলকে ড্রেসকোড অনুসরণপূর্বক সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ লাইন্সের হল রুমে সিলেট মহানগর ট্রাফিক বিভাগের কল্যাণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় পুলিশ কমিশনার বলেন, সিলেট মহানগরের জনদুর্ভোগ লাঘব এবং মহানগরবাসীর যাতায়াত নির্বিঘ্ন, জনজীবনে স্বস্থির জন্য আন্তরিকভাবে সকলকে কাজ করতে হবে। শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে অনিবন্ধিত সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অবৈধ গাড়ির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ট্রাফিক বিভাগ বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে দৃশ্যমান অঙ্গ। এখানে ভালো কাজের যেমন পুরস্কার রয়েছে তেমনি মন্দ কাজের জন্য রয়েছে শাস্তি। কল্যাণ সভায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও জনসাধারণের যাতায়াত
ব্যবস্থাকে সু-শৃঙ্খল রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার উদ্ধার কার্যক্রমে ট্রাফিক বিভাগের বিভিন্ন পদবীর ১৫ জন সদস্যকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করেন তিনি।
এসময় পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক বিভাগের সকল পদবীর সদস্যদের কথা শুনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কিছু সমস্যার সমাধান করার পাশাপাশি কিছু বিষয়ে দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশ প্রদান করেন।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) সুদীপ্ত রায়ের সভাপতিত্ব কল্যাণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সদর ও প্রশাসন) এনামুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মাসুদ রানা, এডিসি ট্রাফিক গৌতম দেবসহ ট্রাফিক বিভাগের অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
