মানবতার এক দৃস্টান্ত স্থাপন করলো বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ ও হিন্দু যুব পরিষদ নাঃগঞ্জ জেলা ও মহানগর

ফিলিস্তিনের গাজায় মানবতার ইতিহাসে সবচেয়ে ঘৃণিত ও  বেদনাত্মক গণহত্যায় রক্তচোষা আর মানবতা বিরোধী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যখন সারা বিশ্ব তীব্র নিন্দা আর ক্ষোভে ফেটে পরছে। সে দিক থেকে থেমে নেই বাংলাদেশ এবং দেশের বিভিন্ন জেলা। ঠিক সেই সময়ে নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন সামাজিক,সাংস্কৃতিক,রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠণগুলো প্রতিদিনই  ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় নারী ,শিশুসহ খাদ্য,বস্ত্র,নিরাপত্তাহীন, অসহায় মানুষকে গত ১৭ মাসে পঞ্চাশ হাজারের অধিক গণহত্যা করার মতো পৈশাচিকতার জন্য প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ প্রদশন করে আসছে। গাজা ও রাফায় ইজরায়েলি বাহিনীর চলমান বর্বরোচিত নৃশংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং নির্যাতিত ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশের  আজ ১০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকেলে অন্যান্য সকল সংগঠণের সাথে   মানবতার এক মূতমান প্রতীক  বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ ও হিন্দু যুব পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর  গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে এক প্রতিবাদ ও  বিক্ষোভ মিছিল বের করে। যা মানবতার এক অনন্য দৃস্টান্ত স্থাপন করেছে বলে নগরবাসীর জানান।  মিছিলটি বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ ও হিন্দু যুব পরিষদ মহানগরের সভাপতি টনি সনাতনের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব থেকে বেরিয়ে চাষাঢ়া চত্ত্বর হয়ে মিশন পাড়ায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষ মহানগরের সভাপতি টনি সনাতন গনমাধ্যমকে জানান; গাজায় দীঘ  ১৭ মাসে যে গণহত্যা চালিয়েছে  ইসরায়িল তা মানব ইতিহাসে একটি বিরল পৈশাচিকতা । এই গণহত্যায় শিশুসহ অসংখ্য নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এবং এই হত্যাযজ্ঞ এখনো চলমান। আজ এই পরিস্থিতিতে আমরাও থাকতে পারতাম। এখানে আমার মা,বোন,সন্তানও থাকতে পারতো। আমরা যদি সে ভাবে চিন্তা করি তাহলে কেউ ঘরে বসে থাকতে পারতাম না। এখানে হিন্দু বুঝি না,মুসলমান বুঝি না, বৌদ্ধ বুঝি না। সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই। আর সে মানুষের মানবিক বিপযয় হচ্ছে তা কি মেনে নেয়া যায়।  আমরা, আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এই গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানাই । তিনি অবিলম্বে আন্তর্জাতিক মহলের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ ও হিন্দু যুব পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার  সভাপতি মন্তুষ চন্দ্র সরকার, সাধারণ সম্পাদক অভিরাম সূত্রধর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুপ সরকার, আশুতোষ ঘোষসহ জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।