নারায়নগঞ্জ রূপগঞ্জ থানাধীন মধুখালি তিনরাস্তার মোড় এলাকায় স্বৈরাচারী দূঃশাসনের সন্ত্রাসীরা এখনো বেহাল তবিয়তে থেকে সাধারণ মানুষের উপর জোড় জুলুম ও চাঁদাবাজি করছে বলে গোপন সূত্রে জানা যায়। তাদের উৎপাতে মানুষ ভয়ে আতঙ্কিত। দিনে দিনে তাদের হুমকির দামকি ও চাঁদাবাজি
কর্মকান্ড বেড়ে চলছে । তারা এতটাই ভয়ংকর যে এলাকা জুড়ে তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে মরিয়া হয়ে উঠে পড়ে লেগেছে। বিভিন্ন এলাকার অপরাধীদের সাথে হাত মিলিয়ে বিক্রি করছে মাদক,জমি জবরদখল। তাদের এ অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করছে স্হানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকজন। সাধারণ মানুষ তাদের অত্যাচারের ভয়ে মূখ খুলতে সাহস পায়না।
এক ভূক্তভোগী জানায়,এখানে বিভিন্ন সময় চাঁদা না দিলেই চলে নির্মম অত্যাচার। চাঁদাবাজি ছাড়াও বেড়ে চলছে চুরি, ডাকাতি। দিনে দুপুরে মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে লাঞ্ছিত করে সবকিছু কেড়ে নেয়া হচ্ছে। তাদের এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেখে সাধারণ মানুষ থাকে সব সময় আতংকে।
দেশে স্বৈরাচার ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও দেশ থেকে অনেকে পালিয়ে গেলেও এখানে এ অপরাধী চক্রটি আগের মতো নিরাপদে তাদের কর্মকান্ড চালাচ্ছে।
এ অপরাধী চক্রটি চাঁদা বাজি,মাদক,চুরি ছিনতাই সহ নানা অপকর্ম প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে স্বাভাবিক রুটিনের মতো। তারা মানুষের মাঝে ভয় সৃষ্টি করতে দিনে রাতে দলবেধে হোন্ডার মহরা দিয়ে থাকে। পুরো এলাকাকে বানিয়ে রেখেছে অপরাধের স্বর্গ রাজ্য, আইন বলতে কিছু নাই, তাদের বলারও কেহ নাই।তাদের অত্যাচারে মধ্য যুগীয় বর্বরতাকেও হার মানায়। বর্তমানে এলাকায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পরছে। এ সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে,এখানে মানুষের নিরাপত্তার দিনে দিনে আরো হুমকির মুখে পড়তে পাবে এবং বড় ধরনের অঘটন ঘটতে পারে,যা মানুষের জন্য ভয়ংকর। এখানে চুরি ডাকাতির মতো বড় ঘটনা ঘটলেও কাউকে আইনী ব্যবস্থা নিতে দেওয়া হয় না। আইনি ব্যবস্থার আগেই অপরাধীদের আরেকপক্ষ এসে তালবাহানা করে ছাড়িয়ে নিতে হাজির হয়ে যায়। ৩০০ফিট সহ আশেপাশের এলাকায়, দলবদ্ধ ভাবে গড়ে উঠেছে অনেক অপরাধের নেট ওয়ার্ক প্রশাসনের নিজ উদ্যোগে,এদের নির্মূল করার ব্যবস্থা প্রয়োজন.। এখানে অনেক অপরাধীর বড় বড় অপরাধের তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে এলাকাবাসী জানান।
এনএএন টিভি / সুমন
