স্ত্রী-শাশুড়ি মিলে যুবককে হত্যাচেষ্টা, বারান্দায় খোঁড়া হয়েছিল ‘কবর’

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় স্ত্রী, শাশুড়ি ও দাদি শাশুড়ির মিলে ঠান্ডু বেপারি নামের এক যুবককে গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে পাশের ঘরের বারান্দায় একটি কবর প্রস্তুত করে রাখা হয়। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ভাসানচর ইউনিয়নের মুন্সি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ঠান্ডু বেপারি (৩৫) একই উপজেলার ছলেনামা এলাকার বেপারিডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা।

তিনি ঢাকায় একটি ওয়ার্কশপ ব্যবসা পরিচালনা করেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে ঠান্ডু বেপারিকে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হওয়ার পর রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তার স্ত্রী লাবনী আক্তার (২৮), শাশুড়ি শহিদা বেগম ও দাদি শাশুড়ি জনকী বেগম মিলে তাকে কাস্তে দিয়ে হত্যাচেষ্টা করে। এর আগে পাশের ঘরের বারান্দায় একটি কবর প্রস্তুত করে রাখা হয়।

সূত্র জানায়, মুখে দাঁড়ি থাকায় গলা পুরোপুরি না কাটায় ঠান্ডু বেপারি বেঁচে যান। পরে চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর সদরপুর থানা পুলিশকে খবর দেন তারা।

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকদেব রায় বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা। টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যেই এমন ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।