হিলি বন্দরে আমদানি বাড়ায় কমেছে ভুসির দাম। তবে দাম কমার পরও বন্দরে ভুসি বোঝাই ট্রাক সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকলেও, নেই বেচাকেনা। এতে বিপাকে আমদানিকারকরা।
হিলি স্থলবন্দর। প্রতিদিন সকাল থেকেই বন্দরে শুরু হয় জমজমাট পণ্য বেচাকেনা।
আমদানিকারক থেকে পাইকার কিংবা ব্যবসায়ী সবাই ব্যস্ত হয়ে উঠেন। তবে বন্দরে আমদানি স্বাভাবিক থাকলেও থমকে গেছে ভুসির বেচাকেনা।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত ৭ কর্মদিবসে ভারত থেকে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি হয়েছে ২৭ হাজার মেট্রিক টন।
যার মধ্যে ভারতীয় ৫৩৫টি ট্রাকে গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহারিত ভুসি আমদানি হয়েছে ১৬ হাজার ৫০৪ মেট্রিক টন।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, বন্দরে সপ্তাহ ব্যবধানে প্রকারভেদে ভারত থেকে আমদানি করা ভুসির দাম টন প্রতি কমেছে ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত।
দাম কমার পাশাপাশি বন্দরে কমে গেছে ভুসির পাইকারও। যারাও বা আসছেন তারা ভুসি দেখেই ফিরে যাচ্ছেন।
চাহিদা কম থাকায় দাম কমা সত্ত্বেও ভুসি কিনছেন না পাইকার ও ব্যবসায়ীরা।
বন্দরের ব্যবসায়ী হাসিনুর রহমান বলেন, বন্দরে অনেক ভুসি আছে। তবে সেই তুলনায় পাইকার নেই।
আগে ভুসির ব্যাপক চাহিদা ছিল। এখন তা নেই বললেই চলে।
আর পাইকার আব্দুল খালেক বলেন, ‘আগে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ গাড়ি ভুসি কিনলেও এখন সে রকম চাহিদা নেই। তাই কেনার পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছি।’
এদিকে বেচাকেনা কমে যাওয়ায় বন্দরেই থেকে যাচ্ছে ভুসি। এতে তীব্র গরমে ঘেমে সেখানেই গন্ধ ছড়াচ্ছে উঠছে ট্রাকে থাকা ভুসি।
সব মিলিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন আমদানিকারকরা।
ভুসি আমদানিকারক ইমরুল কায়েস বলেন, এলসি করা ছিল। সে অনুযায়ী প্রচুর পরিমাণ ভুসি এসেছে।
তবে বাজারে ক্রেতা নেই। তাই ভুসি আমদানি করে বিপদে পড়তে হয়েছে। এভাবেই দাম কমে গিয়েছে, তারমধ্যে আবার ক্রেতা সংকট।
হিলি বন্দরের রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর-রশিদ বলেন,
নতুন ধান কাটার পর দেশের বাজারে ধানের খড় ও তুষ গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার হওয়ার কারণে আমদানি করা ভুসির চাহিদা কমে গেছে।
তবে আমদানি বাড়ায় কেজি প্রতি ৭ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত কমেছে ভুসির দাম।
আরও পড়ুন :
