চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ ও মতলব উত্তরের বাজারগুলোয় ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে। বেড়েছে বেচাকেনাও। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। আজ সোমবার সকালে ওই দুই উপজেলার কয়েকটি মাছবাজারে গিয়ে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
আজ সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত মতলব দক্ষিণের মতলব পৌর বাজার, নারায়ণপুর, মুন্সিরহাট ও বরদিয়া আড়ং বাজার এবং মতলব উত্তরের এনায়েতনগর (সাহেববাজার), আমিরাবাদ ও সুজাতপুর বাজারে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ইলিশের আমদানি বেড়েছে। মাঝারি আকারের ইলিশের পরিমাণ বেশি। সব আকারের ইলিশের দামই সাত থেকে আট দিন আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। ক্রেতারাও কিছু ইলিশ কিনছেন। এতে বিক্রেতারাও খুশি।
গত দুই দিন ধরে বাজারে ইলিশের জোগান আগের চেয়ে ভালো। এখন প্রতিদিন গড়ে একেকটি বাজারে ইলিশ ওঠে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ মণ করে। গড়ে প্রতিদিন বিক্রি হয় সাড়ে ৩ থেকে ৪ মণ করে। বেচাবিক্রির এ পরিমাণ গত সপ্তাহের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ।
ক্রেতা-বিক্রেতারা বলছেন, গত দুই দিন ধরে বাজারে এক কেজি ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায়। গত সপ্তাহে এগুলোর কেজিপ্রতি দাম ছিল ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকায়। এগুলো গত সপ্তাহে কেজি প্রতি বিক্রি হতো ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকায়। ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতি কেজি ইলিশ এখন বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ টাকায়। কয়েক দিন আগে এগুলো বিক্রি হতো ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকায়। তবে ইলিশের দাম নির্ধারিত থাকছে না। প্রায়ই দাম ওঠানামা করে।
মতলব উত্তর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস বলেন, কয়েক দিন পর মেঘনায় আরও বেশি করে ইলিশ ধরা পড়বে। তখন দাম আরও কমবে

One Reply to “হাতের নাগালে ইলিশের দাম ,কিছুটা কমেছে, বেড়েছে বেচাকেনা”
Comments are closed.