দুই বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেবে চীন

চারটি প্যাকেজের আওতায় চীন বাংলাদেশকে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (১৪ জুলাই) বিকেল ৪টার পর গণভবনে চীন সফর-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপাক্ষিক সফরে আমি গত ৮ থেকে ১০ জুলাই চীন সফর করি। ৮ জুলাই বেইজিং পৌঁছালে বিমানবন্দরে আমাকে লাল গালিচা সংবর্ধনার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী জানান, এছাড়াও কনসেশনাল বা ছাড়যুক্ত ঋণ ও বাণিজ্যিক ঋণও দেবে চীন।
চীন সফর নিয়ে সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, ‘চীনের সঙ্গে ২১ টি সমঝোতা হয়েছে। আরও ৭টি বিষয় এর বাহিরেও আছে। আমি জানি না যারা এ কথাগুলো বলে বেড়াচ্ছেন তারা কি জেনে বলছেন, নাকি শুধু আমাকে হেয় করতে বলছেন, সেটা একটি প্রশ্ন। আমি এগুলোকে খুব গুরুত্ব দেইনা। ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর থেকে এ ধরনের নেগেটিভ কথা শুনে অভ্যস্ত।’

সরকারপ্রধান বলেন, সম্মেলনে আমি চীনা ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে বিশ্বের সবচেয়ে উদার বিনিয়োগ ব্যবস্থার সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানাই। এ সময় অবকাঠামো, আইসিটি, পর্যটন, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ জ্বালানি খাত, জলবায়ু-সহনশীল স্মার্ট ফার্মিং, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ প্রযুক্তি ও উন্নয়ন খাতে বৃহত্তর বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছি।

এর আগে গত ৮ জুলাই চীন সফরে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত ১০ জুলাই চীন সফর শেষে দেশে ফেরেন সরকারপ্রধান। এই সফরে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ২১টি চুক্তি-সমঝোতা ও ৭টি ঘোষণাপত্র স্বাক্ষর হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনুদান ও কিছু কিছু ক্ষেত্রে সুদমুক্ত ঋণ, রেয়াতি ঋণ ও বাণিজ্যিক ঋণ- চার প্যাকেজে অর্থ দিতে সম্মত হয়েছে চীন। এই চারটি প্যাকেজের আওতায় চীন বাংলাদেশকে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেবে।

এনএএন টিভি