বর্তমানে অন্যতম প্রয়োজনীয় গ্যাজেট হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ল্যাপটপ। পড়াশোনার জন্য হোক বা অফিসের কাজের সূত্রে অনেককেই ল্যাপটপ সঙ্গে নিয়ে বাড়ির বাইরে বের হতে হয়।
তবে জরুরি কাজের সময় ল্যাপটপ ঠিকমতো কাজ করে না। স্লো হয়ে গিয়ে ঝামেলায় পড়তে হয়। অনেক সময় আবার দেখা যায় হঠাৎ করে ল্যাপটপের চার্জ শেষ হয়ে যায়। তখন পড়তে হয় বড় ঝামেলায়। এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচার কয়েকটা পদ্ধতি রয়েছে।
জেনে নিন সেসব-
১. পাওয়ার সেভার মোড অন করতে হবে করতে পারেন। আজকাল বেশিরভাগ ল্যাপটপেই পাওয়ার সেভার মোড থাকে। এটা অন করলে ব্যাটারি বাঁচানোর জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফিচার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। যেখানে চার্জ করার উপায় নেই, সেখানে ল্যাপটপ চালালে পাওয়ার সেভার মোড অন করে রাখা উচিত।
২. স্ক্রিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন। স্ক্রিনের ব্রাইটনেস ব্যাটারির উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। তাই ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখতে হবে। তাহলে ব্যাটারির আয়ু বাড়বে।
৩. ওয়াইফাই এবং ব্লু টুথ বন্ধ রাখতে হবে। ইন্টারনেট ছাড়া কাজ হবে কী করে? ঠিক কথা। কিন্তু সবসময় ওয়াইফাই বা ব্লু টুথের প্রয়োজন পড়ে না। তাই যখন দরকার নেই তখন ওয়াইফাই এবং ব্লু টুথ বন্ধ রাখলে ব্যাটারি বাঁচবে।
৫. ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস বন্ধ রাখতে পারেন। ইউজার ব্যবহার না করলেও কিছু অ্যাপ্লিকেশন ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতেই থাকে। এতেও ব্যাটারি পোড়ে। এখন সেগুলো যদি বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে চার্জ বাঁচবে।
৬. হাই পারফরম্যান্স মোড বন্ধ করতে হবে। অনেক ল্যাপটপে অডিও বা ভিডিও চালাতে সমস্যা হয়। পারফরম্যান্স খারাপ থাকে। এক্ষেত্রে হাই পারফরম্যান্স মোড ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু এতে ব্যাটারি খরচ হয় বেশি। তাই ব্যাটারি কম থাকলে হাই পারফরম্যান্স মোড বন্ধ রাখাই উচিত।
৭. ব্যাটারি ঠান্ডা রাখতে হবে। ব্যাটারি ঠান্ডা রাখলে আয়ু বাড়ে। তাই গরম জায়গায় ল্যাপটপ রাখতে বারণ করা হয়। তাছাড়া ল্যাপটপে বাতাস চলাচলেও বাধা দেওয়া উচিত নয়।
৮. ল্যাপটপ আপডেট রাখতে হবে। ল্যাপটপে লেটেস্ট আপডেট ইনস্টল করা উচিত। এতে ব্যাটারির কর্মক্ষমতা বাড়ে। চার্জ দীর্ঘক্ষণ থাকে।
