আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে জেলার গবাদিপশু হাটগুলিতে বাজার জমে উঠলেও শান্তিতে নেই ব্যবসায়ী ও খামারীরা। জেলায় আটটি গবাদি পশুর হাটে জেলার প্রত্যন্তাঞ্চলে ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতা,খামারী ও সাধারণ গবাদিপশু পালন কারীদের সাথে আলাপ করে এধরনের তথ্য উঠে এসেছে।
তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছেন দাম কম নয়, গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ও বেশীর ভাগ খামারী ও গবাদি পশু পালনকারীর ক্রয়কৃত খাবার খাওয়াতে খরচ বেশী হওয়ায় গবাদিপশু পালনে খরচ একটু বেশী হওয়ায় লাভ কিছুটা কম হচ্ছে। সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে গবাদিপশুর গরুর হাটগুলিতে শত শত খামারী ও ব্যবসায়ী গরু নিয়ে বিক্রির জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। ক্রেতারা দরদাম করছে। পোষালে নিচ্ছে না পোষালে না নিচ্ছে।
তর্তীপুর হাটে দূর্লভপুর ইউনিয়নে গরু বিক্রেতা প্রফুল্ল কুমার রবিদাস জানান,আমি গত বছর একটি গরু এক লাখ ৩৮ হাজার টাকায় ক্রয় করে প্রতিমাসে প্রায় তিন হাজার গরুর জন্য খরচ করে গরুটির দাম পেয়েছে এক লাখ ৭৪ হাজার টাকা। বিক্রি করতে হলো এক লাখ ৬৫ হাজার টাকায়। একই কথা জানালেন হাটের অন্যান্য গরু পালন কারী ও খামারীরা।
গরু ব্যবসায়ী আব্দুল খালেক জানান,বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় শত শত গরুর খামার তৈরী করায় খামারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ক্রেতারা সেখানেই কোরবানীর জন্য গরু ক্রয় করতে পারায় আর চাঁপাইনববাবগঞ্জ জেলায় গরু ক্রয় করতে আসেনা। তাছাড়া গোখাদ্যের দাম অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় গোবাদিপশু পালনে খরচ বেশী হওয়ায় বিক্রির সময় আনুপাতিকভাবে দাম কম পাচ্ছে।
আব্দুল খালেক আরো জানান, ছোট –বড় গরুর দামে যথেষ্ট তারতম্য আছে। তিন বা সাড়ে তিন মণ মাংসের গরুর দাম মাংসের দাম মণ প্রতি ৩০হাজার টাকা দরে গোটা গরু ওজন করে অ্যাপসের মাধ্যমে মাংস কতটি হবে তা অনুমান করে বেচা কেনা হচ্ছে।অন্যদিকে বড় গরু যেগুলির মাংস পাঁচ থেকে ১০ মন হবে সেগুলির মাংসের দাম মণ প্রতি ২৫/২৬ হাজার টাকা দরে বিক্রী হচ্ছে।
এনএএন টিভি/মোঃ সিফাত রানা
