বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের যোগ্য সকল প্রভাষকের (৩২তম থেকে ৩৭তম ব্যাচ) সহকারী অধ্যাপক পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির জিও (Government Order) জারির দাবিতে নীলফামারীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলা শহরের বিডি হল সংলগ্ন নীলফামারী প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে জেলার চারটি সরকারি কলেজের প্রভাষকগণ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন প্রভাষক পরিষদের জেলা আহবায়ক ও নীলফামারী সরকারি কলেজের প্রভাষক ফরহাদ উল ইসলাম, সদস্য সচিব ও নীলফামারী সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক আশরাফ উজ জামান, এবং কোষাধ্যক্ষ ও নীলফামারী সরকারি কলেজের প্রভাষক ফয়জুল কবির।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে। এর ফলে একই ব্যাচের অনেক প্রভাষক প্রশাসনিক ও আর্থিকভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন।
মানববন্ধন শেষে নীলফামারী প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রভাষক পরিষদের পক্ষ থেকে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো—
১. পদোন্নতির সভা অনতিবিলম্বে সম্পন্ন করা।
২. ১২ নভেম্বরের মধ্যে ৩৭তম ব্যাচ পর্যন্ত সকল পদোন্নতিবঞ্চিত প্রভাষকের ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির জিও জারি করা।
৩. পদোন্নতি নিশ্চিত করতে অবিলম্বে সুপারনিউমারী পদ সৃষ্টি করা।
৪. পদোন্নতির সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য দ্রুততম সময়ে পদ-আপগ্রেডেশন বাস্তবায়ন করা।
জেলা আহবায়ক ফরহাদ উল ইসলাম বলেন, “গত ৩০ অক্টোবর মাউশিতে মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ২ নভেম্বরের মধ্যে জিও জারির দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু অদ্যাবধি তা বাস্তবায়িত হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, “দ্রুত আমাদের চার দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবো।”
বক্তারা বলেন, পদোন্নতির জিও জারি শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষকদের ন্যায্য দাবি। সরকার যদি দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়, তবে শিক্ষক সমাজের মনোবল বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষার মান উন্নত হবে।
