শখের বশে দম্পতির মনোমুগ্ধকর ছাদকৃষি বাগান, সত্যি ব্যতিক্রম

নিজের বাড়ীর ছাদে মনোমুগ্ধকর বাগান করে নজর কাটল ঈদগাঁও উপজেলার এক দম্পতির। দৃশ্যটি বেশ চমৎকার। চতূর্থ তলার ছাদে সারি সারি মাটির টবে বেড়ে উঠে বাহারী রকম ফলজ, বনজ ওষধি গাছ। ফলফলাদীও রয়েছে। পরিবারকে সামলিয়ে অন্তত ছাদ কৃষি তে দৈনিক দুইবার পরিচর্চা করেন এ দম্পতি। ছাদে মাটির টবে ফুল-ফলসহ নানা ওষধি গাছে সমাহার। পুরো ছাদটি যেন বাগানে রুপ ধারন করে। চিত্র কিন্তু ব্যতিক্রমী।

ঈদগাঁও আলমাছিয়া মাদ্রাসা সড়কে এক বাড়ীর ছাদেই এমনি দৃশ্য চোখে পড়ে কক্সবাজার প্রতিদিন প্রতিবেদকের। ছাদকৃষিতে কোন গাছ কি উপকারে আসে ঘুরে ঘুরে তারই বাস্তবতা দেখান এ দম্পতি। ছাদকৃষিতে এ ধরনের বাগান করলে সৌন্দর্য্যের পাশাপাশি অনেক টা লাভবানের কথাও জানান। গাছের উপকারিতা সম্পর্কে অজানা বিষয় জানা যাবে।

ছাদকৃষিতে রয়েছে লেবু,মাল্টা,ড্রাগন,সফেদা,এ্যালোভেরাসহ নানা নামের ফলফলাদির যেন সমাহার। সত্যিই দৃষ্টিনন্দন এই চাষ। কৃষি অধিদপ্তরের একান্ত সহযোগিতায় ছাদকৃষিতে মনোনিবেশ। এমন ব্যতিক্রমী ছাদকৃষি করলো রেহেনা আকতার,ব্রাকের সাবেক শিক্ষা কর্মকতা নোমান দম্পতির বাড়ীর ছাদে। দূর থেকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে অনন্য সুন্দর সতেজ গাছপালা।

নোমানের সাথে কথা হলে জানান, একদিনেই ছাদকৃষি বাগান করা সম্ভব হয়নি। নানা পরিচর্চার মাধ্যমে আজকের এই শখের সফলতা। সড়কের পাশঘেষে দেখতে বেশ সুন্দর বটে। রেহেনার সাথে আলাপ চারিতায় জানা যায়,দীর্ঘদিনের শখের সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে পেরে নিজেকে উৎফুল্ল মনে করছি। বাড়ীর ছাদ উপর বাগান মনকে প্রফুল্ল রাখে। দীর্ঘ বেশ কটি বছর ধরে বাগানের সৌন্দয্যে উপভোগ করছি।

সচেতন মহল ও স্থানীয় পথচারীরা জানান, কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকতারা যদি উপজেলার আওতাধীন এলাকায় ছাদযুক্ত বাড়ীর মালিকসহ ভাড়াটিয়াদেরকে ছাদকৃষি করতে আগ্রহতা দেখাত, তাতে অনেকটা উপকৃত হত লোকজন। ছাদ খালি না রেখে সবজি বা অন্য কোন চাষ করে কিছুটা হলেও লাভবানের মুখ দেখতে।

এনএএন টিভি / এম আবু হেনা সাগর