কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাসস্টেশনে প্রতিদিনই দীর্ঘ যানজটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। এর কোন সুরাহা নেই। ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার, চকরিয়া, ঈদগড়-বাইশারী, চৌফলদণ্ডী হয়ে মহেশখালী-কক্সবাজার যাওয়ার চৌমুহনী হওয়ায় বিপুল যানবাহন ও জনসমাগমে ব্যস্ততম স্পট হয়ে উঠেছে ঈদগাঁও স্টেশন।
চট্টগ্রাম ও ককসবাজারগামী দূরপাল্লার ভারী যানবাহন,কক্সবাজার-চট্রগ্রামগামী বাস, মিনি বাস,ঈদগড়-বাইশারী ও চৌফলদণ্ডী হয়ে কক্সবাজারগামী হায়েচ জিপ নোহা মাহিন্দ্রা সিএনজি টমটম অটোরিকশা সহ সকল গাডীর বাস কাউন্টার ও যাত্রী ও মালামাল পরিবহণ ( ষ্টেশন হতে বাজারে নামার মূল ফটকের একশো মিটারের মধ্যে হওয়ার ) কারণে স্টেশন থেকে উভয়পাশে ১ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়। তার সাথে ভ্রাম্যমাণ মাছ পান তরিতরকারি এবং খাবার দোকান ইত্যাদি।
ভারী যানবাহনের কাউন্টারও মহাসড়কে উভয় পাশে অতি উঁচুনিচু অবস্থার কারণে বাজারের দিকে নামার পয়েন্টে অসহনীয় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এমন দূরবস্থার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য যাতায়াত এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, চরম ভোগান্তিতে নাকাল জনজীবন।
এই অসহনীয় যানজট নিরসনে উপজেলা প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগসহ স্টেশনের সচেতন ব্যবসায়ীরা যদি জরুরী ভিত্তিতে কিছু পদক্ষেপ বিবেচনা করে তাহলে তাহলে কিছুটা হলেও যান জটমুক্ত রাখা সম্ভব হতো। তৎমধ্যে- বাজারে নামার পয়েন্টে মহাসড়কের উভয়পাশে সরকারী একোয়ারের ৫০ ফুট জায়গা সম্পূর্ণ দখলমুক্ত করে ছোট যানবাহন,হাঁটার জন্য সুপ্রশস্ত করতে হবে, বাজারে নামার মূল ফটকের দূই পাশে ২শ মিটার পর্যন্ত সকল ধরণের ভ্রাম্যমাণ দোকান বাজার তুলে দিতে হবে,দূরপাল্লার যানবাহনের সকল কাউন্টার বাজারে নামার মূল ফটকের ৩শ মিটারের বাইরে নিয়ে যেতে হবে,অভ্যন্তরীণ রুটের সকল বাস মিনিবাস জিপ হায়েচ মাইক্রো মাহিন্দ্রা সিএনজি টমটম অটোরিকশা দাঁড়ানোর স্থান ক্রমান্বয়ে ২শ /৩শ মিটারের বাইরে নির্ধারণ করতে হবে, মহাসড়কের দুইপাশের অতি উঁচু অবস্থানের সাথে উভয়পাশ স্বাভাবিক চলাচলের উপযোগী ঢালাই দিতে হবে।
এছাড়াও অভিজ্ঞমহলের প্রয়োজনীয় পরামর্শের ভিত্তিতে গঠনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এই জনপদের উন্নয়ন সমৃদ্ধি ও জনদুর্ভোগ লাঘবে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী সচেতন মহল।
এনএএন টিভি/ আবু হেনা সাগর
