ডাঃ মো ইউনুসকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ ১৭-২০ গ্রেড সরকারি কর্মচারী সমিতি

অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ ডাঃ মো ইউনূছ স্যারকে ২০২৪ সালের সরকার কর্তৃক নিয়োগ হয়ে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পটভূমির মাধ্যমে প্রতিস্ঠিত বাকশালি ঘৃন্য মনোভাবাপন্ন সরকারের রসানলে পরতে হয়েছিল। চাকরিতে অর্থনৈতিক দুর্ভিক্ষে জর্জরিত। ততসময়ে গনকর্মচারীদের অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য ঐক্যবদ্ধ গনকর্মচারীদের সংগঠনের কর্মি হয়ে কাজ শুরু। ২০১২, ২০১৩ তে বুঝা যাচ্ছিল সরকারি আমলা অবকাঠামো অজানা কারনে দুর্বল ও দংশের কাজ চলছে। কিছুই করার ছিল না। অতপর গোয়েন্দা সংস্থা, বিশেষ করে, এনএসআই, ডিএসবি,ও ডিজিএফআইয়ের চক্ষু রাংঙ্গানিতে শুরু হয় সাইলেন ক্যু। মুজিব হাসিনার গান নয়তো চাকরিচ্যুত সহ নির্মম পরিনতি। পেক্ষাপটটাও চললো বিরোধী দল নিধন সহ মুজিব বাদী তন্ত্র মন্ত্র। ২০১৫ সালে আরেকটি নাটকিয় পে-স্কেল। অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ গনকর্মচারীরা অর্থনৈতিক দুর্ভিক্ষে এমনিতেই সরকারি কর্মচারী থেকে সরে যাবে এবং ভারতীয় নাগরিকদের এদেশের সরকারি কর্মচারীতে উচ্চমুল্যে প্রতিস্ঠা করার। বাধ্যহয়েই তাল মিলিয়ে এদেশের গনকর্মচারীদের ততসময়ের আইকনদের নিয়ে চললো নিবিড় আন্দোলন। এতোখনে বাকশাল সরকার গনকর্মচারীদের সংগঠন গুলোকে টুকরো টুকরো করে একাধিক সংগঠনে রুপান্তরের কাজ সম্পন্ন করে ফেললো। গনকর্মচারীদের মধ্যে দলাদলি, দালালি সহ ভিন্নমতাদর্শ করে দিয়ে আন্দোলনের মুল উদ্দেশ্য ব্যহাত করে মুল দাবীগুলোকে নানান মুখি করে দিলো।

এতে আন্দোলন যতোই হচ্ছিল দাবী আদায়ের কিঞ্চিত সম্ভাবনা কমে যাচ্ছিল। আবার এদিকে সকলকেই জয় বাংলা মার্কা কপি টপি পরতে বাধ্য করা তো হলোই, সাথে উচ্চ আদালত থেকে জয় বাংলা বলার আইন করে দিলো।
যেনো এদেশের মানুষ ভাত খেতে বিসমিল্লার বদলে জয় বাংলা দিয়ে শুরু করে এবং এমন পর্যায়ে নেওয়া হলো অবশেষে টয়লেটে সুচু করার পরও জয় বাংলা বলার অভ্যাস সৃষ্টির পায়তারাও চলমান ছিল। ধর্মকেন্দ্রিক আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে দাড়ি টুপি ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে চির তরে বিলীন করার কাজ প্রায় শেষ করতে মরিয়া ছিল ততকালীন বিনা ভোটের নির্বাচিত সরকার। রাখে আল্লাহ মারে কে,,,,,,,

অবশেষে আল্লাহ আকাশ থেকে একঝাঁক ছাত্র রুপি ফেরেস্তা, ধর্মিয় মতবাদের একাত্মতা, জাতীয়তাবাদের শক্তির ঐক্যবদ্ধ প্রচেস্টায় সহজ সরল পবিত্র আত্তাগুলোর জীবন বিসর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ মুক্তি পেলো ভারতের আগ্রসনের এজেন্ট, হিন্দুত্ববাদের “র”এর এজেন্টের সরকার হাসিনার বাকশাল থেকে।
আল্লাহর অশেষ রহমতে ডাঃ মো ইউনুস স্যার খমতায়,অধিষ্ঠিত হওয়ার পরবর্তী আমাদের বৈষম্য ও অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলনের সময় ইউনুস সরকার কর্তৃক ঘোষিত মহার্ঘ্য ভাতা ও পে-স্কেল এর চমলাম প্রকৃয়াটি এখন দৃশ্যমান, আলহামদুলিল্লাহ।

এখন নিশ্চয়ই গলা ফুলিয়ে উচ্চসুরে বলতে ইচ্ছে করছে,,,

ঐ হাসিনা কই গেলিরে, আরে ঐ জয়, পুতুল মুতুল, আর কাদেইরা, দেখ আমরা মহার্ঘ পাচ্চ্ছি অবিলম্বে। সামনে পে-স্কেল হবে। তরা দেখবি। ভারতের দালালি করে বাংলাদেশের গনকর্মচারীদের সাথে বেঈমানী করে পালাইসছ।