গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে সেতু দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ আছে বুড়িগঙ্গা প্রথম (পোস্তগোলা) সেতুর সংস্কারকাজের জন্য। আজ শুক্রবার সকাল থেকে বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় (বাবুবাজার) সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত কেরানীগঞ্জের প্রবেশমুখে কদমতলী এলাকা ও বাবুবাজার সেতুর উত্তর প্রান্ত নয়াবাজার এলাকায় তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে।
বেলা আড়াইটার দিকে কেরানীগঞ্জের কদমতলী ও বাবুবাজার সেতু এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, রাজধানীর প্রবেশমুখে বাবুবাজার সেতুর উত্তর প্রান্ত পুরান ঢাকার নয়াবাজার থেকে তাঁতীবাজার পর্যন্ত তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকায় একই চিত্র দেখা গেছে। যানজটের কারণে সেতুর উভয় প্রান্ত দিয়ে থেমে থেমে যান চলাচল করছে। তীব্র যানজটে দক্ষিণাঞ্চলের ১৯টি জেলায় চলাচলকারী যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন।
খুলনা থেকে আসা হানিফ পরিবহনের চালক সুরুজ আলী বলেন, ‘আমরা সব সময় পোস্তগোলা সেতু দিয়ে চলাচল করি। সেতুর কাজের জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় বাবুবাজার দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বাবুবাজার সেতুর দক্ষিণে কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকায় সিএনজিচালক ও হকারদের উৎপাতে আরও বেশি যানজটে পড়তে হয়েছে।’
যশোর থেকে আসা শ্যামলী পরিবহনের চালক আলম হোসেন বলেন, রাজধানীর প্রবেশমুখে বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু ও কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার যানজটে পড়তে হয়েছে। কদমতলী থেকে বুড়িগঙ্গা দ্বিতীয় সেতু পার হয়ে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার আসতে ঘণ্টাখানেক সময় লেগেছে। তিনি বলেন, যেহেতু পোস্তগোলা সেতু বন্ধ, তাই অন্তত এ এলাকাটি যানজটমুক্ত রাখার দরকার ছিল।
মুন্সিগঞ্জের বেতকা থেকে আসা ডিএম পরিবহনের যাত্রী মোসাদ্দেক মিয়া বলেন, ‘ধানমন্ডিতে একটি অনুষ্ঠানে যাব। কদমতলী আর বাবুবাজার সেতুতে যানজটের মধ্যে বাসে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়েছে। শুক্রবারও এমন যানজটে পড়ে বিরক্ত লাগছে। কবে যে ভোগান্তির শেষ হবে!’
