শেরপুরের বাক প্রতিবন্ধী বাতাশীর ফেল ফেল করে তাকিয়ে থাকা ছাড়া চাওয়া পাওয়া নেই কিছু

শেরপুরের নকলা উপজেলার এমনি এক পুনাঙ্গ যৌবনের বাতাশী শুধু চেয়ে থাকেন লোক জনের দিকে নাম তার বাতাশী পিতার নাম আব্দুল কাদির । বিগত ৩০ বছর হুইল চেয়ার দিয়ে ঘুরে বাবা চাকা ঘুরিয়ে ডিজিটাল ভিক্ষা করে চলছে তার সংসার । ফেল ফেল করে তাকিয়ে থাকা ছাড়া বাতাশীর আর চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই । প্রতিনিয়ত তার বাবা হুইল চেয়ারের চাকা ঘুরিয়ে বিভিন্ন জায়গায়

গজল ও গান বাজিয়ে ভিক্ষাবৃদ্দি করে তার জীবন অতিবাহিত হয়েছে । এক সময় বাতাশীর দাদা অহিদ মিয়ার এক খন্ড জমি ছিলো বক্ষপুত্র ভেঙ্গে নিয়েগেছে জন্ম থেকেই টানা ৩০ বছর রেকর্ড করে গান বাজিয়ে ভিক্ষা করছেন তার বাবা মনে বড় আশা ছিলো যাবো মদিনায় ,সালাম আমি করবো গিয়ে নবীর রৌওযায়। এই গজলটিকে রেকর্ড করে প্রতিদিন বাতাশী ও তার বাবা ভিক্ষা করেন ১ হাজারটাকা । তার সংসারে বাবা মা সহ তিন জন টাকা পেলেও ২দিন করে বিরতি নিতে হয় তার। তা না হলে মিরকি রোগী হিসাবে তার সমস্যা হয়ে দাড়ায়। সে মা বাবাকে নিয়ে নারায়নখোলা বাজারের নিকট ডাক্তার জাহাঙ্গীরের জায়গায় পলিথিন মোড়িয়ে রাত্রী যাপন করেন । পানি ও শৈৗচাগার ব্যবহার করেন অন্য লোকের । এলাকার মানুষ বলছেন তাদেরকে সরকারি ভাবে ঘর উঠিয়ে দিলেন স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারতেন তারা । এছাড়াও অভাব মুচন সম্ভব হতো ।

এনএএন টিভি / ইউসুফ আলী মন্ডল

Share this news as a Photo Card