প্রাকৃতিক পরিবেশে চমৎকার দৃশ্য বটে রূপসী গোয়ালিয়া। সড়কের দুইপাশে পাহাড়ের মনোরম পরিবেশ দেখে মন জুড়িয়ে যায়। পায়ে হেঁটে পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে পারলে সমুদ্র দর্শন এবং সূর্যাস্ত দেখার অপরূপ সুযোগ মেলে। সুউচ্চ পাহাড় থেকে দিগন্তজোড়া প্রকৃতির চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ না হয়ে যাবেনা কোন পর্যটক।
ভ্রমণপিপাসুদের নজর কাড়ছে সবুজে ঘেরা পাহাড়ি পর্যটন স্পট ‘রূপসী গোয়ালিয়া’। পাহাড় সমুদ্রের নৈসর্গিক সৌন্দর্য দেখতে এখানে প্রতি দিন অসংখ্য দেশী-বিদেশী পর্যটক এসে ভিড় জমান। সমুদ্র সৈকতের অতি নিকটবর্তী হওয়ায় রূপসী গোয়ালিয়া স্পটটি পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। রেজুখাল ব্রিজের পূর্ব পাশে এটির অবস্থান।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক শাহীনের মতে, পাহাড়ের সৌন্দর্য দেখতে পরিবারসহ এখানে এসেছি। সমুদ্রের কাছাকাছি নয়নাভিরাম পাহাড়ের সৌন্দর্য অবলোকন করা সবার কাছেই সৌভাগ্যের। উঁচু-নিচু পাহাড় আর ছায়াশীতল প্রকৃতি যে কাউকে মুগ্ধ করে দেয়।
জানা যায়, স্থানীয়দের যাতায়াতের সুবিধার্থে একসময় পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে এই সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রকৃতির সৃষ্ট এ স্পটটিতে প্রশান্তি খুঁজতে আগে থেকে স্থানীয় পর্যটকরা বিকেলে এসে ভিড় করত। কখনো বনভোজনের আয়োজনও করা হতো। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অল্পসময়ে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে বেশ পরিচিতি লাভ করে।
স্থানীয়রা জানান, প্রকৃতি এই গোয়ালিয়াকে অপরূপভাবে সাজিয়েছে। পর্যটকের আগমনে দিন দিন স্থানটির পরিচিতি বাড়ছে।সরকারি ভাবে সঠিক পরিকল্পনাসহ পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকলে স্পটটি কক্সবাজারের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। এতে স্থানীয়দের জীবনযাত্রার মানেরও উন্নয়ন ঘটবে।
এনএএন টিভি / এম আবু হেনা সাগর
