দীর্ঘ ৫ মাস পর ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়ায় হিলি স্থল বন্দরের আমদানিকারকরা ইমপোর্ট পারমিটের (আইপি) আবেদন করেছেন। এরই মধ্যে ১০ জন আমদানিকারক ১৪ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজের আইপি পেয়েছেন।
সোমবার (৬ মে) হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৫ মে) সকাল থেকে শুরু করে সোমবার দুপুর পর্যন্ত পেঁয়াজের এসব আইপি ইস্যু করা হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী সঙ্গনিরোধ কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোন নিষেধাজ্ঞা ছিল না। মূলত ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছিল।
তবে গত ৪ মে ভারত সরকার পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এরপর থেকেই পেঁয়াজ আমদানির জন্য হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা সংশ্লিষ্ট দফতরে আবেদন করতে শুরু করেন বলে জানান ইউসুফ আলী। তিনি বলেন, তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট দফতর আইপি ইস্যু করছেন। এরই মধ্যে হিলি স্থলবন্দরের ১০ জন আমদানিকারক ১৪ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন।
এছাড়া পূর্বে যাদের আইপি নেয়া রয়েছে, তাদের মেয়াদ থাকলে সেটি দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন বলেও জানান ইউসুফ আলী। তিনি বলেন, যাদের মেয়াদ পার হয়ে গেছে, তারা মেয়াদ বাড়িয়ে আমদানি করতে পারবেন। যারা আইপি পেয়েছেন তারা এলসি খুলে পেঁয়াজ আমদানি করতে পারবেন।
এর আগে, গত ডিসেম্বর থেকে পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ভারত। এতে ভরা মৌসুমেও প্রভাব পড়ে দেশের বাজারে। তবে গত ৪ মে প্রায় ৬ মাস পর পেঁয়াজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ভারত। নিষেধাজ্ঞা তুলে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানিমূল্য ৫৫০ ডলার নির্ধারণ করেছে দেশটির সরকার।
