চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ বাস্তবতার আলোকে দেশের জনগণকে সরকারি উদ্যোগে সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসার প্রস্তাব দিয়েছেন ইসলামিক ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহ। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই আহ্বান জানান।
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে মুসলিম বিশ্বের ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, এই মুহূর্তে কারা জুলুমের শিকার, তা বোঝার জন্য পণ্ডিত হওয়ার দরকার নেই। তার মতে, একজন মুসলিমের সাথে ভিন্নমত থাকলেও, সেই ভিন্নমত আপন জায়গায় ঠিকই থাকবে। তবে মুসলিম হিসেবে সব সময় জুলুম ও জালেমের বিরুদ্ধে অবস্থান করাই মূল দায়িত্ব। তিনি আরও স্পষ্ট করেন, নির্যাতিত ব্যক্তি অমুসলিম হলেও একজন মুসলিম তার প্রতি সহানুভূতি দেখাবে।
বর্তমান বিশ্বের অস্থিরতা এবং অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখে দেশের নিরাপত্তার গুরুত্ব তুলে ধরে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতায় আমাদের দেশে সরকারি উদ্যোগে জনগণকে সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা উচিত।” তার এই প্রস্তাব দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলায় জনগণের প্রস্তুতিকে জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করে।

One Reply to “জনগণকে সামরিক প্রশিক্ষণের আওতায় আনা উচিত: শায়খ আহমাদুল্লাহ”
Comments are closed.