দেশের প্রত্যন্ত ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক ও গতিশীল করতে সরকার রেলপথ সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন । তিনি বলেন, রেললাইন সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের অবহেলিত অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
বুধবার নেত্রকোণা জেলার থেকে পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা পরিদর্শন এবং স্থানীয় সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুর্গাপুর অঞ্চলের পর্যটন, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশে এই রেললাইন সম্প্রসারণ একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সীমান্তবর্তী ও দুর্গম অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

তিনি আরও বলেন, “ঝাঞ্জাইল স্টেশনটি ১০৮ বছরের পুরোনো। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এখানে উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন হয়নি। আমি বিশ্বাস করি, রেল প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে এবং সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় এই স্থবিরতার অবসান ঘটবে এবং নেত্রকোণার সম্ভাবনাময় এই অঞ্চলে উন্নয়নের ধারা আরও বেগবান হবে।”

পরিদর্শনকালে বলেন, এলাকার উন্নয়নে ডেপুটি স্পিকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি জানান, জারিয়া ঝাঞ্জাইল থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডি ও ভূমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মতবিনিময় সভায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
