মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে, দেশ ক্লিনিকের পরিচালক হাসিবুল হক শান্ত, ক্লিনিকের ম্যানেজার ইয়াকুব আলী, চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মশিউর রহমান ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. এহসানুল হক তন্ময়।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জুন চুয়াডাঙ্গা শহরের হাসপাতাল রোডের দেশ ক্লিনিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার রামনগর গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে মিনারুল ইসলামের অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করা হয়। দুই দিন পর ছাড়পত্র দেয়া হলেও বাড়ি ফেরার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পেট ফুলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ফের ১৭ জুন তাকে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করে দ্বিতীয়বার অপারেশন করা হয়। কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরিবার উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নেয়ার চেষ্টা করলে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ বাধা দেয়। অবশেষে গত ৪ আগস্ট আত্মীয়-স্বজন জোরপূর্বক মিনারুলকে ঢাকায় ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে ক্লিনিকের পরিচালক হাসিবুল ইসলাম শান্ত বলেন, ওই রোগীকে সঠিক চিকিৎসাই দেয়া হয়েছে। ভুল অপারেশন হলে দুই একদিনের মধ্যেই জটিলতা দেখা দিত। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকরা ধারনা করছেন, রোগীর বমির কারণে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের নাড়ির বাঁধন খুলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে।
এনএএন টিভি / শামসুজ্জোহা পলাশ
