নকলা মডেল মসজিদের কাজ ৭ বছরে ১০ ভাগও সম্পূর্ণ হয়নি নির্মাণ কাজ

শেরপুরের নকলা মডেল মসজিদের কাজ গণপুর্ত বিভাগ ২০১৮ সালে ওয়ার্ক অর্ডার করে। এসময় ঠিকাদান হিসাবে চুক্তিবদ্দ হয় সুরুজ এন্ড সালাম বাদার্স নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে। তারা কাজটি করতে ব্যার্থ হওয়ায় ২য় দফায় ২০২২ সালের মে মাসে আবারও ২য় বার ১৭ কোটি টাকা ব্যায় করে ৭৮ ফিট বাই ১৫৬ ফিট ৩য় তালা ভবন নির্মাণের দায়িত্ব নেয় কোহিনুর এন্ড নাঈমা জেবি ভেঞ্চার । কাজের নিধারিত সময় পার হলেও এখনো ১০ ভাগও কাজ হয়নি । গণপুর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সর্দার মাহবুবুর রহমান কোনদিন এই কাজ দেখতে আসেনি । সহকারী প্রকৌশলী মো: আনোয়ার হোসেন বলেন ঠিকাদার কাজে চরম গাফিলতি করেছে বিধায় আমাদের কাজটি সমাপ্ত করতে বিলম্ব হচ্ছে সারা দেশে ব্যাপী মসজিদের কাজ নিধারিত সময়ের মধ্যে সকল মডেল মসজিদের কাজ সমাপ্ত হলেও নকলা ঝুলে রয়েছে ৭ বছর যাবত নির্মাণ কাজ । মুসল্লিরা নামাজে এসে সীমাহীন কষ্ট করছেন বলে জানালেন অনেকেই।

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা বাড়ি ঘর ভাঙ্গচুর ১ কোটি টাকার ক্ষতি বলে জানালেন ভোক্ত ভোগীরা শেরপুর জেলার সদর উপজেলার হাওয়া গড় এলাকার দুইটি বিবদমান গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে ঐ গ্রামে সাতটি পরিবারের বসতঘর ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙ্গচুর করে কোটি টাকার ক্ষতি সাধন করে প্রতিপক্ষরা । জানাগেছে , হাওয়া গড় এলাকার বাঁশকান্দা গ্রামের মজনু মিয়া পেশায় রাজমিস্ত্রি সে ৪এপ্রিল ষ্টোক করে মারা যায় । এদিকে মজনু মিয়ার মৃত্যুকে হত্যা বলে সাজিয়ে প্রতিপক্ষ আব্দুল মোতালেব , মঞ্জুরুল হক , মজনুর স্ত্রী রুজিনা বেগম , ১৩জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে ঐ মামলায় যাদেরকে আসামী করা হয়েছে তা ঘটনারস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং কী কোন কিছু জানেনা । পরবর্তী প্রতিপক্ষের লোক মোতালেব, মুনজুরুল হক, রুজিনারা দলবল সহ দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ব্যবসায়ী ফিরোজ মিয়ার সারের দোকান ভাঙ্গচুর করে ১৭শত বস্তা সার , নগদ ১০লাখ টাকা ক্যাশ ভেঙ্গে নেয় । পাশে আপন মিয়ার মুরগীর ব্যবসা মেশিনারিজ যন্ত্রাংশ এবং বিল্লালের চালের দোকান থেকে ২৫০ ব্যাগ চাল লুটপাট করেন এবং তাদের বাড়ি ঘরে হামলা করে গরু বাছুর স্বর্ণ অলংকার সহ প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষতি সাদন করেছে প্রতিপক্ষ ।
আসল ঘটনা মজনুর মেডিক্যাল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে সে ষ্টোক করে মারা যায় । পূর্ব শ্রুত্রতার জের ধরে ঐ ধবংস করা হয় ।

এনএএন টিভি/ ইউসুফ আলী মন্ডল