নির্বাচন প্রস্ততির জন্য বিভক্ত নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগ!

জাতীয় নির্বাচনের প্রস্ততির জন্য তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে শুরু করেছে বর্তমান ক্ষমতাশীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

আর তাই একটু বেশি চাপে থাকতে হচ্ছে প্রতিটি জেলার শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দদের। সারা দেশের মতো নারায়ণগঞ্জের অবস্থাও এক।

জানা গেছে, গত বছরের ২৩ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন স্থগিত করে আওয়ামী লীগের হাই কমান্ড।

দ্রুত মহানগরের আওতাধীন কমিটি গুলো সম্মেলনের মাধ্যমে গঠন করার নির্দেশ দেয় কেন্দ্র।

চাপে পরে নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা।

দুই নেতার সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হয় মহানগরের আওতাধীন ১১-২৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন। তবে এর পর থেকেই সবকিছু স্থির হয়ে পরে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,

সম্মেলনের পর থেকেই মতানৈক্য দেখা যায় মহানগরের সভাপতি আনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহার মাঝে।

এদিকে, তৃনমূলকে সুসংগঠিত করতে ও নির্বাচনের প্রস্ততির জন্য গত ৫ মে থেকে মহানগর আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড গুলোতে শুরু হয় কর্মী সভা।

গত ৫ ও ৬ মে আয়োজিত ২২-২৬ নং ওয়ার্ডের কর্মী সভায় নামে নেতা-কর্মীদের ঢল।

যাতে দেখা মিলেনি মহানগরের সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে।

প্রতিটি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকছেন মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা। আর এনিয়ে শহর জুড়ে চরছে নানা আলোচনা সমালোচনা।

অনেকের মতে,

‘দল সুসংগঠিত করার সময় মনোনয়নের বাসনা ঠিক নয়। এতে দলের ক্ষতি হবে।

একত্রিত হতে সমস্যা থাকলে আলাদা ভাবে হলেও দলকে সুসংগঠিত করা জরুরি।’

জানা গেছে,

মনোনয়ন নিশ্চিতে আনোয়ার হোসেনের পাশে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জের বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা। তবে, এত সহজে না।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারায়ণগঞ্জের ৫টি আসনে নৌকার প্রার্থী দিলে হতে পারে আনোয়ার হোসেনের স্বপ্ন পূরণ।

তবে, এবারও মহাজোটের অংশ জাতীয় পার্টির জন্য দুইটি আসন ছাড় দেয়া হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন :

এনএএন টিভি