পাত্রী দেখার কথা বলে নিয়ে গিয়ে প্রতিবেশী চাচাতো বোনকে ধর্ষণ করেছে আব্দুর রহিম (৪৫) নামের একজন।
এ ঘটনায় অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার পর আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব-১৪।
সোমবার রাতে জামালপুর সদর উপজেলার বারুয়া বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব-১৪ এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার রফিউদ্দিন মোহাম্মদ যোবায়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রহিম জামালপুরের কটারবাড়ি এলাকার মৃত আব্দুস সামাদ মিয়ার ছেলে।
কোম্পানি কমান্ডার রফিউদ্দিন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, আব্দুর রহিম বিবাহিত থাকলেও তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন।
এ কারণে রহিম আবার বিয়ে করবেন বলে এলাকায় প্রচার করতে থাকেন।
গত ২২ জুন পাত্রী দেখার কথা বলে আব্দুর রহিম প্রতিবেশী চাচাতো বোনকে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা চেচুয়াবাজার এলাকায় নিয়ে যান।
সেখান থেকে অটোরিকশাযোগে রহিমের পূর্বপরিচিত শফিকুলের বাসায় নিয়ে যান ওই নারীকে।
পরে সেখান থেকে চা-নাস্তা খাওয়ার পর অপর সহযোগী সামছুল হক একটি ভ্যানগাড়ি নিয়ে আসেন।
এরপর বিকালে সেই ভ্যানযোগে পাত্রীর বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় অন্ধকার হয়ে গেলে এক নির্জন জায়গায় আনারস বাগানের ভিতর দিয়ে নিয়ে যেতে থাকে।
এ সময় ওই নারীর সন্দেহ হলে চিৎকার দেওয়ার চেষ্টা করলে রহিম,
শফিকুল ও সামছুল গামছা দিয়ে ওই নারীর হাত, পা ও মুখ বেঁধে বনের ভেতর একটি টংঘরে নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
পরদিন ২৩ জুন ভোরে ওই নারী কৌশলে দুঃসম্পর্কের চাচা সবুজ মিয়াকে ফোন করে বিষয়টি জানান।
পরে সবুজ মিয়া এসে ওই নারীকে উদ্ধার করেন। এ সময় রহিম, শফিকুল ও সামছুল তাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন যাতে এ ঘটনা কেউ না জানে।
এ ঘটনায় ওই নারী ২৬ জুন মধুপুর থানায় তিনজনকে আসামি করে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
বিকালে রহিমকে মধুপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.