র্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, কক্সবাজারের চকরিয়ায় দীর্ঘদিন যাবত একটি সক্রিয় মোবাইল চুরি সিন্ডিকেট মোবাইল চুরি
এবং বিভিন্ন অপরাধ ও অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জরিত বিভিন্ন সংগঠন বা চক্রের সদস্যদের নিকট চোরাই মোবাইল বিক্রয় করে আসছিল।
উক্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বর্ণিত বিষয়ে সত্যতা যাচাই-বাছাই করতঃ অদ্য ১৬ জুন ২০২৩ খ্রিঃ ০৭.৪০ ঘটিকার সময় র্যাব-১৫,
কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন সদর এর একটি চৌকস আভিযানিক দল কক্সবাজারের চকরিয়া থানাধীন ৮নং
ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডস্থ জনৈক ফারুকের বসত ঘরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মোবাইল চুরি এবং
চোরাই মোবাইল বিক্রির সিন্ডিকেট চক্রের প্রধান মোঃ পারভেজকে চোরাই মোবাইলসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় এবং
আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে পোঁছানোর পূর্বেই একজন চোরাকারবারী দ্রুত পালিয়ে যায় মর্মে ধৃত আসামীর নিকট থেকে জানা যায়।
ধৃত ব্যক্তির নাম মোঃ পারভেজ আবুল কালাম (৩৮), পিতা-মৃত মেহের আলী, মাতা-ফরিজা বেগম,
সাং-মগবাজার, কামারপাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, চকরিয়া পৌরসভা, থানা-চকরিয়া, জেলা-কক্সবাজার বলে জানা যায়।
উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত ব্যক্তির একটি লাল শপিং ব্যাগ তল্লাশী করে এবং
ধৃত ব্যক্তি দেখানো মতে পলাতক আসামীর বসত ঘরের আলমারীর ভিতর হতে সর্বমোট ৪৩ (তেতাল্লিশ)টি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।
ধৃত ব্যক্তি জানায়, সে ও পলাতক আসামী পরস্পরের যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবৎ এই অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত এবং
বিভিন্ন মাধ্যম হতে চোরাইকৃত মোবাইল সেট কম দামে ক্রয় করে পুনরায় তা বিভিন্ন অপরাধী,
সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে জড়িত সংগঠন বা চক্রের সদস্যসহ রোহিঙ্গাদের নিকট বিক্রয় করে থাকে।
অদ্য উপরোল্লিখিত চোরাই মোবাইলসহ র্যাব-১৫ এর আভিযানিক দলের কাছে ধৃত হয়।
উদ্ধারকৃত আলামতসহ ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণার্থে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.