বিএনপি নেতা দুদু বলেন, যারা পিআর পদ্ধতি চায়, তারা যদি মনে করে এটি খুবই জনপ্রিয় বিষয় তাহলে বিষয়টি তাদের কর্মসূচিতে নিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করে তারপর সিদ্ধান্ত নিক। কেননা এই পদ্ধতি চালুর জন্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাগবে। পৃথিবীর যেসব দেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়েছে সেসব দেশে তিন বছরের মধ্যে অন্তত ১০ বার সরকারের পতন হয়েছে। নেপালই যার বড় দৃষ্টান্ত। একটি যেকোন দেশের সমৃদ্ধি, উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা বাধাহীনভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, তাহলে সরকারের স্থিতিশীলতা খুব জরুরী। সেটির নিশ্চয়তা পিআর পদ্ধতিতে থাকে না।
ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অন্যান্য দলের অংশগ্রহন প্রসঙ্গে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এখন দেশে সরকারি দল নেই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ও যদি কোন রাজনৈতিক দল স্ব উদ্যোগে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে তাহলে এটি হবে তাদের জন্য ব্যর্থতা। হ্যাঁ, বিভিন্ন দলের বিভিন্ন দাবি থাকবে। দাবিগুলো নির্বাচনের কর্মসূচিতে উল্লেখ করে জণগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমই নির্বাচন। যদি সেসব দাবি জনপ্রিয় হয় তাহলে তারা নির্বাচিত হবে। কিন্তু নিজেদের দাবি প্রতিষ্ঠিত করতে অন্যের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাওয়া ঠিক হবে না।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চুযাডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাড. ওয়াহেদুজ্জামান বুলাসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
