নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পশ্চিম চরজুবলী এলাকায় সংঘটিত সুব্রত চন্দ্র দাস (৪৭) হত্যার ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত মূল অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ (৫৭)–কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে সুধারাম থানার ধর্মপুর ইউনিয়নের উত্তর ওয়াপদা বাজার এলাকা থেকে নূর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করা হয়।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-ফারুক জানায়, tপ্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নূর মোহাম্মদ স্বীকার করেন, ঘটনার দিন তিনি তার ভাগিনা ফয়সাল (১০)–কে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। পথে একটি সিএনজিকে ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে একটি দ্রুতগতির বাইক আসতে দেখে তিনি হঠাৎ ব্রেক করেন, ফলে তিনি ও সুব্রত উভয়ে সড়কে পড়ে যান। এ সময় তার মোটরসাইকেলের বাম্পার ও স্ট্যান্ডে আঘাত পেয়ে সুব্রত চন্দ্র দাসের গলায় মারাত্মক ক্ষত হয়, এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সুপার।
পুলিশ সুপার বলেন, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো প্রকার যাচাই-বাছাই বা প্রমাণ ছাড়াই ভিকটিম সুব্রত চন্দ্র দাস (৪৭), এর মৃত্যুর ঘটনাটিকে “প্রকাশ্য দিবালোকে জনসম্মুখে কুপিয়ে হত্যা” হিসেবে প্রচার করা হয়, যা তদন্তের স্বার্থে বিভ্রান্তিকর ও অনভিপ্রেত। মিডিয়ায় প্রকাশিত যেকোন ধরনের অপতথ্য সমাজে বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং যার দরুন জনমণে দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর দুপুর পৌনে দুইটার দিকে পরিস্কার বাজার- আটকপালিয়া সড়কের রাজ্জাক সওদাগরের ধানী জমির পাশের পাকা সড়কে রক্তাক্ত অবস্থায় সুব্রত চন্দ্র দাসের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরদিন সুব্রতের ভাই সঞ্জয় চন্দ্র দাস বাদী হয়ে চরজব্বর থানায় অজ্ঞাত আসামী করে হত্যা মামলা (নং-০২/২০২৫) দায়ের করেন।
মোজাহেদুল ইসরাম সােহেল/এনএএন টিভি

2 Replies to “নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সুব্রত দাস হত্যা মামলায় আসামী গ্রেফতার”
Comments are closed.