ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের শিকার যুবদল নেতা শাহেদ আহমেদ: প্রকৃত ঘটনা ভিন্ন ​

​নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব শাহেদ আহমেদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পরিকল্পিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

টঙ্গীর তুরাগ থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনার ভিডিও ক্লিপ ব্যবহার করে সেটিকে শাহেদ আহমেদের ব্যক্তিগত ‘স্ক্যান্ডেল’ হিসেবে প্রচার করছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল।

​ঘটনার নেপথ্যে কী?
​অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সম্প্রতি ফেসবুক ও এক্সে (টুইটার) একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে একজন নারীকে ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেখা যায়। একটি বিশেষ চক্র দাবি করছে যে, এই ভিডিওতে থাকা পুরুষ ব্যক্তিটি যুবদল নেতা শাহেদ আহমেদ। কিন্তু তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্টচেকে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর ভিন্ন তথ্য। উপরন্তু এ ঘটনায় ভিডিওতে থাকা ভাইরাল ব্যক্তিরা তখন আটক হন বলে জানা যায়।

​ফ্যাক্টচেক ও প্রকৃত সত্য:

​১. ভিডিওর ব্যক্তি: ভাইরাল ভিডিওতে যে নারীকে দেখা যাচ্ছে, তিনি কোনো বিদেশি পর্যটক নন; বরং তিনি বাংলাদেশের একজন মডেল ও অভিনেত্রী।

২. স্থান ও কাল: ভিডিওটি মূলত টঙ্গীর তুরাগ থানা এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার। এই ঘটনার সাথে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব শাহেদ আহমেদের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই।

৩. ভুল প্রচারণা: এই ভিডিওটি এর আগে “বাংলাদেশে আমেরিকান পর্যটক হেনস্তা” শিরোনামে আন্তর্জাতিক কিছু অ্যাকাউন্টে প্রচার করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ভারতীয় এবং দেশীয় কিছু ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান (যেমন: Factly) ভুয়া বলে প্রমাণ করেছে।

​রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ইঙ্গিত
​স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নেতাকর্মীদের মতে, শাহেদ আহমেদের রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতেই একাধিক ভিডিও এডিট করে বা জোড়া দিয়ে এই ধরণের ‘ডিজিটাল প্রোপাগান্ডা’ চালানো হচ্ছে। একটি প্রকৃত ঘটনার ভিডিওকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উপস্থাপন করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চলছে।

​শাহেদ আহমেদের বক্তব্য

​এই অপপ্রচারের বিষয়ে শাহেদ আহমেদ তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে নোংরা রাজনীতিতে মেতেছে। টঙ্গীর ঘটনার ভিডিওর সাথে আমার নাম জড়িয়ে যারা গুজব ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কিছু শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করা জরুরি বলে মনে করেন অনলাইন সচেতন মহল। শাহেদ আহমেদকে নিয়ে ছড়ানো এই ভিডিওটি একটি ‘ম্যানিপুলেটেড’ বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ছাড়া আর কিছুই নয়।

 

 

এনএএন টিভি