অলস সময় কাটাচ্ছেন আতর ব্যবসায়ীরা

ঈদ চলে এসেছে। তবুও অলস সময় কাটাচ্ছেন আতর ব্যবসায়ীরা ।

বায়তুল মোকাররমের আতরের দোকানগুলোতে নেই ঈদের আগের চিরচেনা ভিড়।

সরেজমিন বায়তুল মোকাররম মসজিদ সংলগ্ন আতর, টুপি ও জায়নামাজের দোকানগুলো ঘুরে দেখা যায়, সেখানে নেই ক্রেতাদের ভিড়।

পাঞ্জাবির দোকানের সামনে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেলেও আতরের দোকানিরা নিজেদের পসরা সাজিয়ে অলস সময় কাটাচ্ছেন।

বায়তুল মোকাররম মসজিদের মূল ফটকের সামনে চল্লিশ বছর ধরে আতর বিক্রি করেন বাদল হোসেন।

সময় সংবাদকে বাদল বলেন, যাদের নিজস্ব দোকান নেই, তারা মূলত মিটফোর্ড কিংবা বাবুবাজার থেকে আতর কিনে এনে বিক্রি করেন।

আগে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার আতর বিক্রি হতো। তবে এখন বেচাবিক্রি নেই বললেই চলে।

রোজার আগে প্রতিদিনের বিক্রি ছিল ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা জানিয়ে তিনি বলেন, কিন্তু ঈদে এসে কী যেন হয়ে গেল।

অন্য সময়ে ঈদের আগে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার আতর বিক্রি হলেও এবার বিক্রি কমে হয়েছে মাত্র ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা।

বাদলের কথায় সায় দিয়ে বায়তুল মোকাররমের আরেক আতর ব্যবসায়ী মিলন মাহমুদ বলেন,

‘এখানে কয়েক দশক ধরে আতর বিক্রি করি। ঈদের আগে মসজিদ প্রাঙ্গণে আতর ও টুপির মেলা বসে।

এখানে প্রতিটি স্টলের ভাড়া ৩৫ হাজার টাকা। কিন্তু এবার ব্যবসার যে পরিস্থিতি, তাতে আতর বিক্রি করে খুব একটা সুবিধা হচ্ছে না।

আরেকজন আতর বিক্রেতা সদরুল বলেন, ‘আগের থেকে এবার আতর বিক্রি অনেক কমে গেছে।

আগে রমজানে ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকার আতর বিক্রি হলেও এবার এর ধারেকাছেও যাবে কি না সন্দেহ হচ্ছে।

রোজার আগে যা আতর বিক্রি হচ্ছে এবার তা-ও হচ্ছে না।

আতরে অনীহা কেন জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘হঠাৎ করেই আতর বিক্রি কমে গেছে।

এমনকি আতরের দাম কমিয়ে দেয়ার পরও ক্রেতারা আতর কেনার আগ্রহ পাচ্ছেন না।

আগে ৫০ টাকায় কোনো আতর পাওয়া না গেলেও এখন ৫০ থেকে ১৫০ টাকায় ভালোমানের দেশি আতর পাওয়া যায়।


আরও পড়ুন: 

এনএএন টিভি