চট্টগ্রাম বিমানবন্দর দিয়ে রেকর্ডসংখ্যক সোনার বার বৈধ করে

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর দিয়ে চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ডসংখ্যক সোনার বার বৈধ করা হয়েছে।

এ সময়ে ১২ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ১৭ টন সোনার বার বৈধ করেছেন মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসীরা,

যা প্রতিটিতে ২০ হাজার টাকা হিসেবে ১ লাখ ৪৬ হাজার পিস সোনার বারে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছে ২৯৪ কোটি টাকা।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে প্রতি যাত্রী দুটি হিসেবে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৩৪ পিস সোনার বার বৈধ করেছেন।

এর মধ্যে ফেব্রুয়ারিতেই রেকর্ড ২৩ হাজার ৪৩৩টি সোনার বার বৈধ করা হয়।

আর মার্চ মাসে বৈধ হয়েছে ৯ হাজার ১২১টি সোনার বার। ওজন হিসাবে এ সময়ের মধ্যে শুধু শাহ আমানত বিমানবন্দর দিয়েই ১ হাজার ৬৩ কেজি সোনার বার ঢুকেছে বাংলাদেশে।

আর এ খাতে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ২৯৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উপকমিশনার ব্যারিস্টার বদরুজ্জামান মুন্সি বলেন,

বৈধ পথে সোনা আমদানিতে সুযোগ পাওয়ায় আগের তুলনায় সোনার চোরাচালান অনেক কমেছে।

এ ছাড়া আগামীতে বৈধ পথে সোনা আমদানির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্যাসেঞ্জার ব্যাগেজ রুল-২০১৬ এর আওতায় প্রতিজন যাত্রীকে দুটি করে সোনার বার বৈধ করার সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

আর প্রতিটি বারের জন্য শুল্কহার নির্ধারণ করা হয় অন্তত ২০ হাজার টাকা।

এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বিশেষ করে আরব আমিরাতের দুবাই,

শারজা এবং আবুধাবি থেকে আসা যাত্রীরাই সোনা বৈধ করার সুযোগ নিয়েছে সবচেয়ে বেশি।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অপর এক তথ্যে জানা যায়, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ১৫ মাসে ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪টি সোনার বারের বিপরীতে ৪০৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ে হয়েছে।

তবে সোনার বার বৈধ করার পরিমাণ বাড়লেও সোনার ব্যবহার সাম্প্রতিক সময়ে একেবারেই কমে গেছে জানিয়েছেন সোনা ব্যবসায়ীরা।

আরও পড়ুন: 

এনএএন টিভি