৫০ গ্রাম এর বেশি স্বর্ণ আনা যাবে না প্রস্তাব দিলেন বাজুস

বিদেশ ফেরত যাত্রীদের ১০০ গ্রাম স্বর্ণ আনার সুযোগ দেয়া নিয়ে আপত্তি তুলেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

তাদের দাবি, বিদেশ থেকে স্বর্ণ আনার সীমা নামিয়ে আনতে হবে ৫০ গ্রামে। এতে কমবে চোরাচালান।

বিদেশ থেকে দেশে আসার সময় পরিবার-পরিজনদের জন্য এতদিন ভরিতে দুই হাজার টাকা শুল্ক দিয়ে ২৩৪ গ্রাম বা দুটি স্বর্ণের বার আনতে পারতেন প্রবাসীরা।

তবে এ সুযোগটি কাজে লাগিয়েছে চোরাকারবারীরা।

বর্তমানে বিমানের টয়লেট থেকে শুরু করে যাত্রীর পেট, পায়ুপথ, ব্যাগ,

জুতা কিংবা মোবাইল ফোন-অভিনব নানা কায়দায় দেশে ঢুকছে স্বর্ণের ছোট-বড় চালান।

বাজুস বলছে, দেশে বছরে স্বর্ণের চাহিদা প্রায় ৪০ টন। অথচ বিমানবন্দর দিয়ে প্রবাসীদের মাধ্যমে দেশে আসছে ৫৪ টন।

যার বাজারমূল্য ৭৩ হাজার কোটি টাকা। চোরাচালান ও রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের

বাজেটে প্রবাসীদের স্বর্ণ আনার সুযোগ কমিয়ে সর্বোচ্চ ১১৭ গ্রামের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

এছাড়া শুল্ক হার দ্বিগুণ বাড়িয়ে করা হয়েছে চার হাজার টাকা।

পাশাপাশি একটির বেশি স্বর্ণেরবার আনলে তা জব্দ করার নির্দেশনাও রয়েছে। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি তুলেছে বাজুস।

বাজুসের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, ১০০ গ্রাম স্বর্ণের দাম ৯ লাখ টাকা।

পরিবারের জন্য একসঙ্গে এত টাকার স্বর্ণ কেনেন না বিদেশ ফেরত যাত্রীরা।

তাই বিদেশ ফেরত যাত্রীদের ১০০ গ্রাম স্বর্ণ আনার সুযোগ কমিয়ে ৫০ গ্রামে নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হলো।

এদিকে আগামী অর্থবছরের বাজেটে জুয়েলারি শিল্পে ভ্যাট,

ট্যাক্স সংক্রান্ত ১১টি প্রস্তাবের কোনটিই আমলে না নেয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি।

বাজুসের তথ্যমতে বর্তমানে দেশে ৪০ হাজার স্বর্ণ ব্যবসায়ী রয়েছে।

এনএএন টিভি