যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তায় বেঞ্চে এক ক্লান্ত ছেলে ঘুমাচ্ছে, পাশে বসে পাহারা দিচ্ছেন বাবা, সম্প্রতি এমন একটি লুকে ধরা দিলেন ঢাকাই সিনেমার শীর্ষ নায়ক শাকিব খান, আর ক্লান্ত ছেলেটি হচ্ছে জয়।
মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) ছবিটি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ করেছেন শাকিব খান। ক্যাপশনে তিনি তুলে ধরেছেন ছেলের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফরের কথা।
ছবিটি দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে,
‘ছেলে জয় ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে আছে বেঞ্চে । আর তার পাশেই রাস্তার ফুটপাতে বসে আছেন বাবা শাকিব খান।’
‘তিনিও যেন ক্লান্ত! আর এমন ছবি প্রকাশের পর মুহূর্তেই নেটিজেনদের দৃষ্টি কেড়েছে।’
‘ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ, পেজে ছবিটি মুহূর্তেই ছড়িয়ে যেতে দেখা গেছে।’
মন্তব্যে তারা উল্লেখ করে বলছেন,
‘বাবা ছেলের এই ছবিটি একটু বেশি সুন্দর। এর চেয়ে আর সুন্দর কোনো ছবি হতে পারে না। পাশাপাশি তাদের জন্য মন্তব্যে শুভ কামনা জানাচ্ছেন ভক্তরা।’
কেউ লিখছেন, বাপকা ব্যাটা!
আবার কেউ বলছেন, আব্রাম তার বাবার মতো কিউট হচ্ছে। তার স্টাইল ঠিক তার বাবার মতো।
শত শত ভক্ত শাকিবকে বাহবা দিচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, গত ৪ জুলাই প্রিয়তমা মুক্তি উপলক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন শাকিব খান। এরপর সন্তান জয়কে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান অপু বিশ্বাস।
সম্প্রতি সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের ঘোরাঘুরির কিছু ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশিত হয়েছে।
এছাড়া, সম্প্রতি অপু-জয় ঘুরতে গিয়েছিলেন নিউইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে। সঙ্গে ছিলেন শাকিব খানও।
যুক্তরাষ্ট্রের পর কানাডায়ও শাকিব-অপুকে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে। তাদের সঙ্গে রয়েছে ছেলে আব্রাহাম খান জয়।
সোমবার (২৫ জুলাই) বাংলাদেশের স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে ফেসবুক লাইভে আসেন অপু বিশ্বাস।
সেখানকার একটি পার্কে ফায়ার ওয়ার্ক দেখছিলেন তারা।
৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে শাকিব কিংবা জয়কে দেখা না গেলেও বাবা-ছেলের কথোপকথন শোনা যাচ্ছিল। এ সময় ছেলেকে ফায়ার ওয়ার্ক খাচ্ছিলেন শাকিব।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল বিয়ে করেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। সেটি গোপন ছিলো।
এমনকি সন্তান জন্মের খবরও গোপন রেখেছিলেন তারা।
এরপর ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল সন্তানসহ একটি বেসরকারি টেলিভিশনে লাইভ অনুষ্ঠানে এসে অপু বিশ্বাস জানান,
২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি ক্লিনিকে তার সন্তানের জন্ম হয়। নাম রাখা হয় আব্রাহাম খান জয়।
ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে দুজনেই বিয়ে ও সন্তানের বিষয়টি গোপন রাখেন। তবে ২০১৮ সালের ১২ মার্চ তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
