জাপানি সামুদ্রিক খাবার আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা চীনের

জাপান থেকে সামুদ্রিক খাবার আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে চীন। টোকিওর ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানি সমুদ্রে ফেলার পরিকল্পনা ঘোষণা নিয়ে ক্ষোভের মধ্যে এ পদক্ষেপ নিলো বেইজিং।

এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে চীনা সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মনিং পোস্ট।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,

‘২০১১ সালে ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বিপর্যয়ের পর সেখানকার দূষিত পানি সমুদ্রে ফেলার পরিকল্পনা করে জাপান। তবে বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে পরিকল্পনাটি হচ্ছে না বলে দাবি করেছে চীনের কাস্টমস এজেন্সি।’

এ প্রেক্ষাপটে দেশটি বলছে,

‘জাপানের এমন পদক্ষেপ তাদের দেশের ভোক্তাদের টোকিও থেকে আমদানি করা খাদ্যের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।’

‘ভোক্তাদের উদ্বেগ কমাতে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

‘এ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ফুকুশিমাসহ ১০টি জাপানি এলাকা থেকে খাদ্যপণ্য আমদানির

ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং অন্য অঞ্চল থেকে পণ্য চালান সম্পূর্ণরূপে স্ক্রিনিং (তেজস্ক্রিয়তা পর্যবেক্ষণ) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ।’

বেইজিংয়ের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস বলছে, তেজস্ক্রিয় পদার্থ শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণ জোরদার করতে চীনে রপ্তানি করা জাপানি খাবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং

ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য আমদানি কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে। এ সময় তারা দাবি করে, জাপানি সমুদ্রে দূষিত পরমাণু পানি নিঃসরণ বিশ্বের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।

এদিকে শুক্রবার (৭ জুলাই ) সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,

‘দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, তারা বিশ্বাস করে জাপান আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই তার ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পরিশোধিত পানি ছাড়বে।’

‘জাতিসংঘের পরমাণু শক্তি সংস্থা আইএইএ পারমাণবিক এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানি ছাড়ার

বিতর্কিত এ প্রস্তাবকে নিরাপদ হিসেবে অনুমোদন দেওয়ার কয়েক দিন পর সিউল তার অবস্থান পরিষ্কার করল।’

এনএএন টিভি