ব্রিকস্ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলোর প্রতি পিটার নাভারোর আরও অভিযোগ, ব্রিকস জোটভুক্ত সবকটি দেশ এক অপরকে ঘৃণা করে এবং হত্যা করে। অবশ্য নাভারো স্বীকার করে নিয়েছেন ভারতের প্রতিই আমেরিকা সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে। সেটি মোকাবিলা করার কথাও বলেছেন তিনি।
ঐতিহাসিকভাবে, ভারত রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের উল্লেখযোগ্য আমদানিকারক ছিল না, কারণ তারা মধ্যপ্রাচ্যের উপর বেশি নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করার পর এবং জি-২০ দেশগুলো ক্রেমলিনের তেল রাজস্ব সীমিত করার জন্য প্রতি ব্যারেল ৬০ ডলার মূল্যসীমা আরোপ করার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। মার্কিন কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, ভারতের ছাড়যুক্ত পণ্য কেনার ক্ষমতা ছিল সেই ব্যবস্থারই একটি বৈশিষ্ট্য।হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইন এবং ইন্দোনেশিয়ার সাথে আমেরিকার স্বাক্ষরিত ‘দুর্দান্ত’ বাণিজ্য চুক্তিগুলোর উল্লেখ করে বলেন, ‘এই সমস্ত দেশ আমাদের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে’ কারণ তারা বুঝতে পারে যে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে অত্যধিক সুবিধা নিচ্ছে এবং তাদের আমেরিকান বাজারের প্রয়োজন। ভারতের প্রতি পিটার নাভারোর বার্তা, ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করতে হবে। তবেই শান্তি ফিরবে। এই দায়িত্ব খানিকটা নয়াদিল্লিকেই নিতে হবে।
সূত্র : এনডিটিভি
