পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবেকদর পালিত হবে আগামী ১৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) রাতে।
প্রতিবছর পবিত্র রমজানের ২৬ তারিখ রাতে শবেকদর পালন করা হয়।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বিশেষ ইবাদতের মাধ্যমে রাতটি অতিবাহিত করেন।
পবিত্রতা
ইসলামে পবিত্রতার গুরুত্ব অপরিসীম। পবিত্রতা অর্জন ছাড়া আল্লাহ তাআলার ইবাদাত-বন্দেগি গ্রহণযোগ্য হয় না।
এ জন্য ইসলামি শরিয়তে নামাজসহ বহু ইবাদতের জন্য পবিত্রতাকে শর্ত করেছেন।
ক্ষমা প্রার্থনা
আল্লাহ তাআলা ক্ষমাশীল এবং ক্ষমাকে ভালোবাসেন।
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি বলে দিন, লাইলাতুল কদর কোন রাতে হবে,
আমি যদি তা জানতে পারি; তাহলে আমি কী করব?’ প্রিয়নবী বললেন, ’আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুয়্যুন; তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।’
সুধারণা
মহান আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা ও সুধারণা পোষণের মাধ্যমেই একজন মুমিন তার জীবনের সব ক্ষেত্রে স্থিরতা ও প্রশান্তি অনুভব করতে পারে।
তাই শবেকদরের বরকত লাভে আল্লাহর প্রতি প্রত্যেক মুসলমানের সুধারণা পোষণ করা উচিত।
কোরআন তেলাওয়াত
শবেকদরের মর্যাদার সঙ্গে কোরআন নাজিলের বিষয়টি সম্পর্কিত। তাই আলেমদের মতে, কদরের রাতে কোরআন তেলাওয়াত করা তাৎপর্যপূণ।
দরুদ পাঠ
রাসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ পড়া অনেক সম্মান ও মর্যাদার ইবাদত। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন,
‘রাসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ না করা হলে সেই দোয়া আসমান ও জমিনের মধ্যে স্থগিত থাকে। সেই দোয়া আল্লাহর দরবারে পৌঁছায় না।
তাহাজ্জুদ
তাহাজ্জুদের মর্যাদা অপরিসীম। আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম তাহাজ্জুদ নামাজ।
রাসুল (সা.) রমজানের শেষ দশকে কদরের রাত অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি এ দশকে রাত জেগে ইবাদত করতেন।
ইতেকাফ
ইসলামের পরিভাষায় ‘আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের আশায় ইখলাছের সঙ্গে মসজিদে অবস্থান করাকে ইতেকাফ বলে।
শবেকদরের বরকত লাভে সহায়ক এই ইতেকাফ।
আরও পড়ুন:

Comments are closed.