বৈঠকে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশে একটি আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা, বিশেষ করে অংশ বিভাজনভিত্তিক ক্যাডাস্ট্রাল ডাটাবেজ সম্বলিত ভূমি মালিকানার সার্টিফিকেট (সার্টিফিকেট অব ল্যান্ড ওনারশিপ-সিএলও) প্রচলনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
ঢাকায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে ডিজিটাইজড জরিপ, ভূমি ব্যবহারের জন্য ভূমি জোনিং, ভূমি নিবন্ধন ইত্যাদি বিষয়ে নিউ সাউথ ওয়েলস এর সর্বোত্তম ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা হয় এবং বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এ সকল আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে উভয় দেশ একমত পোষণ করে।
বাংলাদেশের বৃক্ষরাজি ও জীববৈচিত্র রক্ষার ক্ষেত্রে ভূমি জোনিং মানচিত্র তৈরি অপরিহার্য এবং এক্ষেত্রে নিউ সাউথ ওয়েলসের ভূমি জোনিং প্রাকটিস আমাদের জন্য অনুকরণীয় হতে পারে বলে উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডিপার্টমেন্ট অব ল্যান্ড এ্যাডমিনিসট্রেশন অব অস্ট্রেলিয়া (ডিওএলএ) জনগণের যথাযথ ভূমি অধিকার নিশ্চিত করার জন্য ভূমি মালিকানা সার্টিফিকেট (সিএলও) প্রস্তুতের জন্য সুপারিশ করেছে। এ সময় উপদেষ্টা বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির আধুনিকায়নে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।
আলী ইমাম মজুমদার এ সময় অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস এর গ্রাহক পরিষেবা ও ডিজিটাল সরকার, জরুরি পরিষেবা মন্ত্রী এবং তার প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানালে তারা তাতে সম্মতি দেন ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়াম্যান (সচিব) এজেএম সালাউদ্দিন নাগরী, অতিরিক্ত সচিব সায়মা ইউনুস, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. মোমিনুর রশীদ এবং উপসচিব মো. শহীদুল ইসলাম।
সূত্র : বাসস।

One Reply to “নিউ সাউথ ওয়েলস সরকারের মন্ত্রীর সঙ্গে খাদ্য উপদেষ্টার বৈঠক”
Comments are closed.