দিন দুয়েক পর ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্ব। সুপার টুয়েলভের সেরা ১২ দল সেদিন থেকে বিশ্বকাপের শিরোপার জন্য একে অন্যের সঙ্গে লড়াই করতে মাঠে নামবে। সাকিব আল হাসানের বাংলাদেশ এবার সরাসরি মূল পর্বে খেলছে।
বিশ্বকাপে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচে প্রথম রাউন্ড পেরিয়ে আসা ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ দলের বিপক্ষে ২৪ অক্টোবর মাঠে নামবে টাইগাররা। সেই ম্যাচে মাঠে নামার আগে অস্ট্রেলিয়াতে দুই ম্যাচের প্রস্তুতিমূলক ম্যাচ খেলার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে।
এর মধ্যে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলা গেলেও বৃষ্টিতে ভেস্তে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৯ অক্টোবরের প্রস্তুতিমূলক ম্যাচটি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে লজ্জার হার দেখেছে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের দেওয়া ১৬০ রানের জবাবে বাংলাদেশ পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করেও একশ ছুঁতে পারেনি।
দলের এমন বাজে অবস্থায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচ বাদ যাওয়ায় ভক্ত-সমর্থকরা যারপরানই খুশি হয়েছে। নিজ দল বাংলাদেশের আরেকটি ম্যাচ হার দেখা থেকে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল সমর্থকরা, অন্ততপক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে পোস্ট দেখে এমনটাই মনে হচ্ছিল। বাংলাদেশের যেকোন সমর্থকের মতে বৃষ্টি বরং উপকারই করল টাইগারদের।
কিন্তু আসলে কী তাই? উত্তর নিশ্চিতভাবে না। বিশ্বকাপের মূল পর্বে মাঠে নামার আগে একটি জয়ের খোঁজে রয়েছে বাংলাদেশ। এমন অবস্থায় দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশের জন্য সুবিধাজনক প্রতিপক্ষ হতে পারত। প্রোটিয়ানরাও সাম্প্রতিক সময়ে সেরা ফর্মে নেই। ভারতের বিপক্ষে সদ্য সিরিজ হেরে বিশ্বকাপে এসেছে।
জয় না পেলেও বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে নিজ দলের খেলোয়াড়দের ব্যাটিং-বোলিং আরেকটু ঝালাই করা সম্ভব হত টাইগারদের জন্য। এছাড়াও প্রোটিয়ানদের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ থেকে ইতিবাচক কিছু পেলে দলের আত্মবিশ্বাস বাড়তে সেটি সহায়তা করতো নিশ্চয়ই।
ফলে বিশ্বকাপের আগে সর্বশেষ প্রস্তুতি ম্যাচ বৃষ্টি বাধায় খেলতে না পেরে বরং ক্ষতিই হয়েছিল বাংলাদেশের জন্য, এমনটা বলাই যায়।
