সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে ইটভাটার পরিবেশ ছাড়পত্রের নামে রায়গঞ্জ উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি, টুন্ডা হানিফের চাঁদাবাজি।
জানাযায় সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলায় ৫৫/৬০ ইটভাটা আছে। ৫৫/৬০ টি ইটভাটার মধ্যে একটিরও পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র নাই। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় ইটভাটাগুলির জেলা প্রশাসনের কোনপ্রকার রেজিস্ট্রেশন নাই।
ইট প্রস্তত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন,২০১৩ এবং ইট প্রস্তত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন,২০১৯ মোতাবেক ইটভাটাগুলি স্থাপন করা হয় নাই তাই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স নাই। ৫৫/৬০ টি ইটভাটার মধ্যে ১২/১৪ টি ইটভাটা পরিবেশ অধিদপ্তর কালো তালিকাভুক্ত করে। এই ইটভাটাগুলি বিভিন্ন দপ্তর ম্যানেজ করে চালালেও পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট প্রতিবছর ৪/৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করে এবং ক্লিম ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেয়। কালো তালিকাভুক্ত ইটভাটার মালিকদের ভাটা পরিচালনায় নিষেধ করে কিন্তু পুনরায় ইটভাটাগুলি চালায়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও জেলা প্রশাসনের লাইসেন্স না থাকার দূর্বলতাকে পুঁজি করে রায়গঞ্জ উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি অত্যন্ত ধূর্ত আবু হানিফ খান কালো তালিকাভুক্ত ইটভাটার মালিকদের কাছ থেকে ১,৫০,০০০/ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) এবং কালো তালিকাভুক্তর বাইরে ইটভাটার মালিকদের কাছ থেকে ১,০০,০০০/ (এক লক্ষ) টাকা করে চাঁদা আদায় করেছে। ইটভাটার মালিকদের হানিফ সভাপতির ক্ষমতা প্রয়োগ করে নিজের ইচ্ছামত ভাটায় ভ্রাম্যমাণ কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করার ভয়ে কোন মালিক মুখ খোলার সাহস পায় না। চাঁদাবাজির ঘটনায় আবু হানিফের মুঠোফোনে কথা হলে এ বিষয়ে কোন কথা বলতে চাননি ও ফোনটি কেটে দেয়।
এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ জেলার পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, তুহিন আলম বলেন, কেউ যদি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের নামে চাঁদাবাজি করে থাকে, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। আর কালো তালিকাভুক্ত অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে। খুব দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এনএএন টিভি / সুমন ইসলাম
