ভারতীয় এক আত্নীয়ের মরদেহ দেখার সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশী স্বজনরা। এ মানবিক উদ্যোগনেয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সীমান্তবর্তী ভারতে বসবাসরত সরুকজানের (৬০) মরদেহ বাংলাদেশে অবস্থানরত তার ভাই-বোনসহ নিকট আত্নীয়কে দেখালো বিএসএফ।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারী) দুপুর ১২টার দিকে ৫৮ বিজিবি এবং ৫৪ বিএসএফের তত্ত্বাবধানে সীমান্ত পিলার ৬৮/১২-টি হতে ভারতের ১০০ গজ ভেতরে মরদেহ স্বজনদের দেখানো হয়। জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের গয়াশপুর সীমান্তবর্তী ভারতের
বাগানপাড়ায় বসবাসরত আজিবারের স্ত্রী সরুকজান (৬০) বাধক্যজনিত কারণে মারা যায়।
মৃত্যুর খবর পেয়ে এ দেশের স্বজনরা মরদেহ দেখতে বিজিবির কাছে আবেদন করেন। বিজিবি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করে সাড়া পায়। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৫৮ বিজিবি এবং ৫৪ বিএসএফের তত্ত্বাবধানে সীমান্ত পিলার ৬৮/১২-টি হতে ভারতের ১০০ গজ ভেতরে মরদেহ রেখে স্বজনদের দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, ভারতের নদীয়া জেলার কৃষ্ণগঞ্জ থানার বানপুর বাগানপাড়া এলাকার আজিবারের স্ত্রী সরুকজান বার্ধক্যজনিত কারণে মঙ্গলবার ভোরে মারা যান। তার ভাই-বোন এবং নিকট আত্নীয় বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন। তারা শেষবারের মতো মরদেহ দেখতে বিজিবি’র মাধ্যমে বিএসএফের নিকট আবেদন করেন।
পরে বিজিবি-বিএসএফের উপস্থিতিতে তাদের মরদেহ দেখানো হয়। এসময় দুই দেশের আত্নীয় স্বজনদের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে। পরে মরদেহ দাফনের উদ্দেশ্যে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বাংলাদেশি জনগণ তাদের নিজ বাড়িতে ফিরে যান। এই মহানুভবতায় প্রশংসায় ভাসছে বিজিবি-বিএসএফ। বিজিবি-বিএসএফ মহানুভবতার দৃষ্টান্ত ¯হাপন করেছেন বলে মনে করেন সুধীসমাজ।
এনএএন টিভি / শামসুজ্জোহা পলাশ
