মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের বাইরের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও ইতিবাচক। শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে আসছেন। তবে অমর একুশে হলে আগে থেকে ব্যালট পূরণ করে রাখার তথ্য পেয়েছি।’
ভোট কারচুপির পেছনে কারা রয়েছে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘যাদের ভোট নাই, তারাই এমন পরিকল্পনায় যুক্ত। কারা ক্যাম্পাসে জনপ্রিয় না, সেটি সবার জানা। আজ সেটাই প্রমাণিত হলো।’
নির্বাচন কমিশনের ওপর দায় দিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের অনেকেই এই কারচুপির প্রকৌশলে যুক্ত থাকতে পারেন। কারণ, শুরু থেকেই আমরা এই বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়ে এলেও তারা সবসময় আশ্বস্ত করেছে, এমন কিছু হবে না। অথচ আজ বাস্তবে তা ঘটতে দেখছি।’
ভোট দিয়ে ভালো লাগলেও কারচুপির অভিযোগ শুনে হতাশা প্রকাশ করে আবু বাকের বলেন, ‘ডাকসু আবারও এক কলঙ্কের অধ্যায়ে প্রবেশ করল।’
ভোট কারচুপির অভিযোগ আরও কোথায় পাওয়া গেছে—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, ‘এখন পর্যন্ত অমর একুশে হলে নিশ্চিত তথ্য পেয়েছি। তবে আমরা আগেই শুনেছিলাম, অন্যান্য হল, বিশেষ করে ছাত্রী হলগুলোতেও এমন কারচুপির আশঙ্কা রয়েছে। ছাত্রলীগ নাকি ২০১৯ সালেও রোকেয়া হল ও সুফিয়া কামাল হলে একই কৌশলে ভোট কারচুপি করেছিল। কারণ, এসব হলে ভোটার বেশি এবং কারচুপি করাও তুলনামূলক সহজ।’

One Reply to “ডাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ জিএস প্রার্থী আবু বাকেরের”
Comments are closed.