এ বছর ডাকসুর ২৮টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪৭০ জন প্রার্থী। ১৮টি হলের প্রতি হল সংসদে ১৩টি করে মোট ২৩৪টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১ হাজার ১০৮ জন। নির্বাচনে মোট ভোটার রয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। ৮টি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে ভোটাররা ডাকসু ও হল সংসদের মোট ৪১টি পদে ভোট দেন।
প্রতি বছর ডাকসু নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও এর আগে ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল দীর্ঘ ২৮ বছর পর। নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) পদে আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ) প্রার্থী পরাজিত হওয়ার পর আর ডাকসু নির্বাচন দিতে সাহস করেনি স্বৈরশাসক হাসিনার আজ্ঞাবহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আজ নির্বাচন হয় ডাকসুর। ছয় বছর পর এ নির্বাচন আয়োজনে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী ও ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার কমতি ছিল না।

One Reply to “ভোটগ্রহণ শেষ ডাকসু নির্বাচনের”
Comments are closed.