আর কিছুদিন পর সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা। তাই এবছর নারীদের প্রতিমা তৈরির কাজে অংশগ্রহণ আগের তুলনায় বেড়েছে অনেকটা।
প্রতিমা কারখানাগুলোয় এখন কুমোরপাড়া ও পালপাড়ার বিভিন্ন কুড়িগ্রামের এমন ব্যস্ততা দেখা যাচ্ছে। সে হিসেবে জেলায় প্রতিমার চাহিদা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। কোন কাজই নারী–পুরুষ ভেদাভেদ নেই,তাই ঘরের নারী সদস্যরা সংসারের কাজের পাশাপাশি প্রতিমাও তৈরির কাজও পরিচালনা করছেন। সংসারের চেনা পরিসরে এবার নতুন দৃশ্য, নারীর হাতেই তৈরি হচ্ছে দুর্গা প্রতিমা। শুধু গৃহবধূ নয়, কিশোরী মেয়েরাও শিখে নিচ্ছে প্রতিমা গড়ার কাজ।
প্রতিমা তৈরির কারিগর সতীনাথ চন্দ্র বলেন, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, রংপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকেও ভক্ত অনুসারীরা অর্ডার দেন অনেকেই দেরিতে আসায় এবার তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতিমা দেয়া সম্ভবপর হয়নি। মন খারাপ করে চলে যান অনেকেই। গতবার আটটা প্রতিমা বানিয়েছি, এবার অর্ডার এসেছে চৌদ্দটার। একা হাতে এতটা কাজ করে উঠা সম্ভব হতো না, তাই ঘরের মেয়ে-বউরা কাজে লেগে পড়েছে।পারিবারিক সহযোগিতা যেন শিল্পের টিকে থাকার অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে।
