প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরি বলেন,খাদ্য খাতের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আনলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে না।
* মাছ, * মাংস,* ডিম * ডালসহ প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়ে এখন নাগালের বাইরে চলে গেছে।
বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য পরিস্থিতি হয়ে উঠেছে আরও কঠিন। পাইকারি পর্যায়ে মনোপলি ভাঙা, খাদ্য আমদানিতে শুল্ক কমানো এবং কৃষিপণ্যের সরাসরি বিপণন চ্যানেল শক্তিশালী করতে হবে। না হলে খাদ্যদ্রব্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকবেই।গত দুই মাসে দেশি পিঁয়াজ, ডাল, ডিম, মাছ ও সবজির দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছ।
ফার্মের মুরগির ডিম ডজনপ্রতি *১৩৫-১৪৫ টাকা, দেশি মসুর ডাল কেজিপ্রতি *১৬০-১৮০, করলা *১০০-১২০, ঢেঁরস ও পটোল *৮০-১০০, বরবটি *১০০-১২০, শসা *৮০, ঝিঙা *৮০-১০০, দুন্দল *৯০-১০০, চিচিঙা *৮০, নতুন শিম *২২০-২৪০ ও কাঁচামরিচ *১৮০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে সস্তা সবজি হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে:- পেঁপে, যার দামও ৩৫-৪০ টাকা কেজি। আলুর দাম কেজিপ্রতি ২৫-৩০ টাকা।
অন্যদিকে বিক্রেতারাও বলছে, টানা বৃষ্টির কারণে কৃষকের ক্ষেতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে,এতে করে কৃষকরা নানান ভাবে বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে।
মানুষ কোথায় যাবে? সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ দরকার। না হলে খাদ্যদ্রব্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে থাকবেই।
