গরমে একটু শান্তির পরশ নিতে কে না চাই। হাতপাখার শীতল বাতাসে বিমোহিত করে তুলেন মানুষদের।
কদিন ধরে অসহনীয় গরমও লোডশেডিংয়ে বেড়েছে হাতপাখার কদর। বৈদ্যুতিক পাখার যুগে অনেকটা হারিয়েই যেতে বসেছে হাতপাখা। তবে গরমে মানুষের ঘরবাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে শোভা পাচ্ছে হাতপাখা। গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন। হাঁসফাঁস অবস্থা খেটে খাওয়া মানুষদের। লোডশেডিংয়ে সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসা হাতপাখায়।
হরেক রকমের কারুকাজে ভরা কাপড়ের তৈরী হাতপাখা ঈদগাঁও বাজারের বিভিন্ন দোকানে মিলছে। তবে কমছেনা কদর এ হাতপাখার।
ভ্রাম্যমাণ এক বিক্রেতা বলেন, গরম শুরু হওয়ায় হাতপাখার চাহিদাও শুরু হয়। তবে গরম ও লোডশেডিংয়ের কারণে ঈদগাঁও উপজেলায় প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে বেশ হাতপাখার কদর বেড়েছে। আকার ও মানভেদে বাঁশের তৈরি এসব পাখার দাম একটু বেশি। তিনি ঘুরে ঘুরে বাজারের অলিগলিতে বিক্রি করেন পাখা।
এদিকে চাহিদার পাশাপাশি নানা দোকানে বিভিন্ন প্লাস্টিকের তৈরি হাত পাখার দাম একেকটা একেক রকমের। পূর্বেকার দিনে কত রকম ডিজাইনের তালপাতার হাতপাখা ছিল। সেসব পাখার বাতাস যেন শান্তির পরশের ছোঁয়া পেতো সারা শরীর জুড়ে। এখন সেটি স্মৃতি পাতায়। দেখা মেলেনা।
বিক্রেতা আক্ষেপের সুরে বলেন, প্লাস্টিক আর বাহারি ডিজাইনের রেডিমেট পাখা ব্যবসায় ধস নেমেছে। গরমের শুরুতেও হাতপাখার চাহিদা ছিল কম। গরম ও লোডশেডিংয়ের কারণে বিক্রি বেড়েছে।
হাতপাখা ক্রয় করতে আসা সানজিদা জানান,গরম আর লোডশেডিং হচ্ছে। যে কারণে এখন গরম থেকে বাঁচতে বিকল্প ব্যবস্থা হচ্ছে হাতপাখা। চলতি মৌসুমে হাত পাখার কদর এখন ঈদগাঁওয়ের গ্রামীণ জনপদে।
এনএএন টিভি / এম আবু হেনা সাগর
