জলাশয়ে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে রংবেরঙের কচুরিপানা ফুল

কক্সবাজারের বিভিন্ন জলাশয়ে সবুজের মধ্যে সাদা হালকা গোলাপি আর বেগুনির মিশেলে ফুটে ফুল। দেখতেও বেশ চমৎকার বটে।

ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কের দুই পাশ বা গ্রামীন জনপদের খাল-বিল ও জলাশয়ে প্রাকৃতিকভাবে কচুরিপানায় জন্মে নান্দনিক এই ফুল। ফুলটি কোন সুবাস ছড়ায়না তবে মায়াবী রূপে মুগ্ধ করে তুলে প্রকৃতিপ্রেমীদের।উপজেলার আওতাধীন ইউনিয়ন সমুহ ছাড়াও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি ইউনিয়নের নানান জলাশয়ে কমবেশি এ ফুলের দেখা মেলে। শাপলার মত এই ফুলটিও পানিতে সৌন্দর্য ছড়ায়।

যুব ঐক্য পরিবারের সভাপতি জানান, মুগ্ধতা ছড়ানোর মত ফুল হচ্ছে কচুরিপানা ফুলগুলো। তবে এখন জলাশয় খুব একটা বেশি নেই। তাই পাড়া মহল্লায় খাল বিল জলমগ্ন স্থানে কম সংখ্যক এ ফুল চোখে পড়ে।

প্রকৃতিপ্রেমী মামুন ও ফাহিম জানান, নানা স্থানের জলাশয়ে কচুরিপানায় ফুটে সুন্দর ফুল। ফুলটি যেখানে ফুটুক না কেন সেখানে অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে বিমোহিত করে তুলে লোকজনের মাঝে।

বয়োবৃদ্ধ আহমদ হোসন জানান, আগে বিলে ঝিলে বা জলাশয়ে কচুরিপানায় জন্মানো ফুলের দেখা মিলত বেশি। এখন খাল-বিল ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের ফলে কম পরিসরে দেখা মেলে এ ফুল।

জানা যায়, কচুরিপানা খুব দ্রুত বংশবিস্তার করতে পারে। পানি পেলে কচুরিপানার ফুল প্রায় সারা বছরই ফোটে। তবে বেশি দিন স্থায়ী হয়না। নাজুক এ ফুল কাণ্ড থেকে আলাদা করলে খুব দ্রুত নুয়ে পড়ে। তাই এ ফুল জলাশয়ে যতক্ষণ থাকে ততক্ষণই মুগ্ধতা ছড়ায়। সবুজ পাতা এই কচুরিপানা পানির ওপরে এক মিটার পর্যন্ত বড় হতে পারে। খুবই হালকা বেগুনি সাতটি পাপড়ির একটাতেই কেবল ময়ূরের পালকের মত আকাশনীল রংয়ের ছোঁয়া।

এনএএন টিভি / এম আবু হেনা সাগর

Share this news as a Photo Card