জমির আলী পরিচয়ে এক ব্যক্তি সুনামগঞ্জের আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। পরে কারাগারের কর্মকর্তারা জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) সংরক্ষিত আঙুলের ছাপের সঙ্গে আসামির আঙুলের ছাপ মেলাতে গিয়ে বুঝতে পারেন, তিনি প্রকৃত আসামি নন। তিনি টাকার বিনিময়ে ভুয়া আসামি সেজে কারাগারে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।
জমির আলী সেজে কারাগারে যাওয়া এই ব্যক্তির প্রকৃত নাম মো. আবু সামা। ভুয়া তথ্য দেওয়ার দায়ে আদালত তাঁকে কারাদণ্ড দেন।
সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার হুমায়ুন বলেন, পুলিশ যখন গ্রেপ্তার করে, তখন তিনি (আবু সামা) মিথ্যা পরিচয় দিয়ে থাকতে পারেন। আবার অন্য সময়ও পরিচয় বদল হতে পারে। কিন্তু কারাগারে আঙুলের ছাপ যাচাইয়ের পদ্ধতি থাকায় বিষয়টি খুব সহজেই ধরা পড়ে।
আরও পড়ুন :

Comments are closed.